প্রধান খবরবগুড়া জেলা

বগুড়ায় ৬ দফা দাবিতে শজিমেক শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ

বগুড়ায় ৬ দফা দাবিতে শজিমেক হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে। এসময় সহপাঠীর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করাসহ ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা।

রোববার বিকেল ৪টা থেকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ এবং শজিমেক কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ঘোষিত দাবি পূরণের আশ্বাসে সন্ধ্যা পৌণে ৬টার দিকে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

তবে আন্দোলরত শিক্ষার্থীরা জানান, যদি নির্ধারিত সময়ে দাবি পূরণ না হয় তাহলে তারা আরো কঠোর কর্মসূচী ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন। তবে অবরোধ প্রত্যাহারের পর শজিমেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. রেজাউল আলম জুয়েল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।

সহপাঠি হত্যার বিচারসহ শজিমেক শিক্ষার্থীদের অপর ৫টি দাবির মধ্যে রয়েছে- কলেজের দুই নম্বর গেট থেকে অবৈধ দোকান-পাট উচ্ছেদ, ওই গেট সংলগ্ন নতুন সড়কের মোড়ে বিকেল ৪টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত পুলিশ মোতায়েন, ছাত্রী হোস্টেল, ফিরিঙ্গিও মোড় এবং ভার্সেটাইল মোড়ে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন, ক্যাম্পাসে প্রবেশ পথগুলোতে আনসার মোতায়েন এবং বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং সন্ধ্যার পর পুরো ক্যাম্পাসে লাইট্ংিয়ের ব্যবস্থা করা।

এর আগে, ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে মেহেরাজ হোসেন ফাহিম বন্ধুদের সাথে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২ নম্বর গেটে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই গেটে ফরিদ ব্যাপারী ও তার ছেলে শাকিল ব্যাপারি ঝাল-মুড়ির ব্যবসা করতেন। সেখানে ঝাল-মুড়ি খাওয়া নিয়ে ফরিদ ব্যাপারীর সাথে বাক-বিতণ্ডতায় জড়িয়ে পড়েন ফাহিম। ওই সময় ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিদের ছেলে শাকিল তার হাতে থাকা পেঁয়াজ কাটার চাকু দিয়ে ফাহিমের পেটে আঘাত করে পালিয়ে যান।

ফাহিমের অবস্থার অবনতি হওয়ায় শজিমেক থেকে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তিনি মারা যান।

এসএ

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button