বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে ভারতে অধ্যয়নের সুযোগ

ভারত বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি বিশ্বমানের গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। ভারত সরকারের কয়েক ক্যাটাগরিতে দেয়া শিক্ষাবৃত্তিতে প্রতিবছর বাংলাদেশের হাজারো শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা নিতে যান ভারতে এবং নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন এক নতুন উদ্যোমে। যে সুযোগ চাইলে এ দেশের যেকোন মেধাবী শিক্ষার্থীই কিন্তু নিতে পারে কারণ বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে ভারত।

ভারতীয় হাইকমিশন ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা সম্পর্কিত ওয়েবসাইট এবং তাদের অফিসিয়াল বিবৃতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, মেধাবী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ভারতীয় সরকার বিভিন্ন বৃত্তিপ্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

যেগুলো হলো, ১. আইসিসিআর বৃত্তি কার্যক্রমসমূহ: ১৯৫০ সালের ৯ এপ্রিল স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মৌলানা আবুল কালাম আজাদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) প্রতিবছর বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি কোর্সের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি প্রদান করে থাকে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৪৫০০জনেরও বেশি শিক্ষার্থী এই পূর্ণবৃত্তি কার্যক্রমগুলোর মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন। যেখানে ভারত সরকার তাঁদের একটি পর্যাপ্ত অংকের উপবৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি টিউশন ফি, বাসস্থান, শিক্ষাসফর ও পরিবহনের জন্য সম্পূর্ণ অর্থ প্রদান করে। জানা যায়, কয়েকজন বিখ্যাত বাংলাদেশি আইসিসিআর অ্যালামনাইয়ের মাঝে রয়েছেন বুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর সত্য প্রসাদ মজুমদার, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, কার্টুনিস্ট শিশির ভট্টাচার্য, নৃত্যশিল্পী শিবলী মোহাম্মদের মতো মানুষও।

ক. প্রধানমন্ত্রী মোদির সুবর্ণ জয়ন্তী বৃত্তি (এসজেএস) প্রকল্পের অধীনে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০টি ¯øট নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বছরে ১৪৭জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভারতের আইভি লিগ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (যেমন আইআইটি/ এনআইটি/ ডিটিইউ/ জিটিইউ) অধ্যয়ন করার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, আরও ৩৫১জন প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নন-ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়সমূহে (যেমন: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, পুনে বিশ্ববিদ্যালয়, আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ও কুরুক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়) পড়তে গিয়েছেন।

খ. লতা মঙ্গেশকর বৃত্তি প্রকল্পের অধীনে ভারতীয় সংস্কৃতির জন্য ৫৫ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এই বছর সারা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানসমূহে স্থান অর্জন করেছেন।

গ. আয়ুষ (আয়ুর্বেদ যোগ ইউনানী সিদ্ধ হোমিওপ্যাথি) বৃত্তি প্রকল্পের অধীনে ৪৭ জন বাংলাদেশি বিকল্প চিকিৎসা বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ লাভ করেছেন।

২. এমইএ-এফআরআই বৃত্তি প্রকল্প: দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের ফরেস্ট্রি ও সহযোগী প্রোগ্রামসমূহে এমএসসি করার জন্য প্রতিবছর দশটি পূর্ণবৃত্তি দেওয়া হয়ে থাকে, যা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যেও উন্মুক্ত রেখেছে ভারত সরকার।

৩. স্টাডি ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচি: এটিইডিসিআইএল-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত ভারত সরকারের একটি ফ্লাগশিপ প্রকল্প, যার কর্মসূচি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থীরা এসে ভারতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সেরা একাডেমিক শিক্ষার অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন। ডিপ্লোমা, আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট, মাস্টার্স ও পিএইচডি-র বিভিন্ন স্তরে ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজনেস, ম্যানেজমেন্ট, ফটোনিক্স, ফার্মেসি, আইন, বাণিজ্য, মানবিক ও অন্যান্য বিশেষ কোর্সসহ বিভিন্ন কোর্সে অধ্যয়ন করার জন্য শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামের অধীনে সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফের জন্য প্রতিযোগিতা করে থাকেন। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১৫০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছেন।

৪. সেল্ফ ফাইন্যান্সিং স্কিম (এসএফএস) কর্মসূচি: এই প্রকল্পটি এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্স (এনইইটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীগণের ক্ষেত্রে), বি.ই./বি.টেক., বি.ফার্মেসি ও বি.আর্ক কোর্স অফার করে থাকে, যেখানে প্রার্থী স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব অর্থায়নে অধ্যয়ন করেন।

(খ) ভারতে প্রফেশনাল বৃত্তিসমূহঃ ভারত এখন প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে এবং আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে জ্ঞান বিনিময় করছে যাদেরকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এরপরে এই প্রশিক্ষিত প্রফেশনালগণ তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্র যেমন: আইটি, জ্বালানি, ইঞ্জিনিয়ারিং, রোবোটিক্স, অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, ন্যানোপ্রযুক্তি, রিনিউয়েবল এনার্জি, সাইবার নিরাপত্তা, অডিট/অ্যাকাউন্টস, ব্যাংকিং, জনপ্রশাসন ও শিক্ষকতায় শীর্ষস্থানীয়দের মাঝে সফল অবস্থান অধিকার করেন। ভারতীয় প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা (আইটেক) কর্মসূচি ১৯৬৪ সাল থেকে আজ অবধি সর্বাধিক প্রভাববিস্তারকারী সক্ষমতাবৃদ্ধিকরণ কর্মসূচিগুলোর মাঝে একটি। প্রতিবছর, ভারতজুড়ে ৬০টিরও বেশি তালিকাভুক্ত অভিজাত প্রতিষ্ঠান আইটেক কর্মসূচির অধীনে ৩০০টিরও বেশি স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী কোর্স পরিচালনা করে থাকে। কোর্সগুলো সম্পূর্ণরূপে ভারত সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রশিক্ষণার্থীদের বিনামূল্যে পরিবহণ, বাসস্থান, শিক্ষাসফর ও গ্রন্থভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে। আইটেক বাংলাদেশসহ অংশীদার দেশগুলোর জন্য সক্ষমতাবৃদ্ধিকরণ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতের প্রধান উন্নয়ন সহযোগিতামূলক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকে পাওয়া যায়, আইটেক গত ৫৮ বছরে সামগ্রিকভাবে ২,০০,০০০ প্রফেশনালকে উপকৃত করেছে। বর্তমান প্রায় ১০০টি অগ্রগণ্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে ১৬০টি অংশীদার দেশ থেকে প্রফেশনালদের উদ্দেশ্যে প্রতিবছর প্রায় ১৪,০০০ বৃত্তি প্রদান করছে ভারত। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, ৪,৫০০ জনেরও বেশি তরুণ বাংলাদেশি প্রফেশনাল ২০০৭ সাল থেকে আইটেক কর্মসূচির অধীনে ভারতে এই জাতীয় বিশেষায়িত স্বল্প ও মধ্যমেয়াদী

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের ফুলে শুভেচ্ছা

বগুড়া সরকারি কলেজের প্রথম দিনে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা ও সাধারণ সম্পাদক আল মাহিদুল ইসলাম জয়।

সোমবার বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে এ মাঝে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।

এ সময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা ও সাধারণ সম্পাদক আল মাহিদুল ইসলাম জয় এবং কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নুরুন্নবী ও সহকারী অধ্যক্ষ ফারুক এবং কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আদিত্য, শাফিন, মাহি, রিফাত,রিংকী প্রমুখ ।

ওমরাহ করে ঢাকায় ফিরলেন সাকিব আল হাসান

বিপিএলের মাঝপথে দুদিন বিশ্রাম পেল সাকিব আল হাসানের দল ফরচুন বরিশাল। এই সুযোগটায় ওমরাহ পালন করতে উড়াল দেন সাকিব। ওমরাহ শেষে আজ সোমবার ৬ জানুয়ারি ঢাকায় ফিরেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

আর পরবর্তী ম্যাচগুলোর আগে কিছুটা বিশ্রামের সুযোগ পায় বরিশাল দল। যে সুযোগ কাজে লাগাতে গত শুক্রবার ৩ ফেব্রুয়ারি রাতেই ওমরাহ পালন করতে গেলেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে। ওমরাহ পালন শেষে আজ ঢাকায় পা রাখেন বরিশাল অধিনায়ক।

আগামীকাল মঙ্গলবার ৭ জানুয়ারি নিজেদের পরের ম্যাচে কুমিল্লার বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামবে সাকিব আল হাসানের দল।

এদিকে বিপিএলের ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিতের পাশাপাশি পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সাকিবের বরিশাল। আর ব্যাট হাতে ৩৪৭ আর বল হাতে ৬ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে ভালোভাবেই অবদান রাখছেন সাকিব।

তুরস্ক-সিরিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত বেড়ে ১৪৭২

শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্কে ও সিরিয়ায় ১৪৭২ জন মানুষ নিহত হয়েছেন।

তুরস্ক ও সিরিয়ায় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আঘাত হানে এই ভূমিকম্পটি।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, তুরস্কেই ৯১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সিরিয়ার সরকার জানান, সেখানে ৫৬০ জন নিহত হয়েছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে সিরিয়া ও তুরস্কে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে মাটির ১৭.৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর উৎপত্তিস্থল।

খবরে বলা হয়, ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় অনেক মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। ভবনের ধ্বংসস্তূপে অনেকে আটকা পড়েন। অনেকে মারা গেছেন। সূত্র: সিএনএন

আমি হিরো আলমকে কিছুই বলিনি: ওবায়দুল কাদের

হিরো আলমকে নিয়ে নয়, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যের জবাব দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন আহমেদের জানাজা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি তাকে (হিরো আলম) কিছুই বলিনি। আমি মির্জা ফখরুলের মন্তব্যের জবাব দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সে প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে করেছে। ভালো ভোট পেয়েছে। তার সম্পর্কে আমার কোনো মন্তব্য নেই। আমি যা বলেছি আমি সেটা মির্জা ফখরুলের মন্তব্যের জবাবে।’

গত শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরে সরকারি হাসপাতাল মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘ফখরুল সাহেব বললেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এতো দরদ উঠলো তার?’

তিনি বলেছেন, ‘তিনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভেবেছিলেন, হিরো আলম জিতে যাবে। কিন্তু হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে।’

সেদিন রাত ৯টায় নিজ ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে হিরো আলম ওবায়দুল কাদের প্রসঙ্গে কথা বলেন।

হিরো আলম বলেছেন, ‘একটা বিষয়ে ওবায়দুল কাদের স্যার বলেছেন, হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। এটা ভুল বলেছেন। হিরোকে কেউ কোনদিন জিরো বানাতে পারবে না। হিরো হিরোই থাকে। আমাকে জিরো কেউ বানাতে পারেনি, পারবেও না। এটা আপনি (ওবায়দুল কাদের) ভুল বলেছেন। হিরো আলমকে যারা জিরো বানাতে এসেছে, তারাই জিরো হয়েছে।’

তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। 

প্রয়াত মোসলেমউদ্দিনের জানাজায় অংশ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কর্মী থেকে নেতা হয়েছে। নেতা হয়েও কর্মীর মতো কাজ করেছে। এটা হচ্ছে মূলকথা। ছাত্র রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগে কাজ করেছে। ছাত্র রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগে প্রবেশ। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মোসলেমউদ্দিন সংগ্রাম আন্দোলনে কখনো আপস করেননি। কখনো মাথা নত করেননি এবং দলের একজন নিবেদিত প্রাণ, নিষ্ঠাবান কর্মী ছিলেন।’

মোসলেম উদ্দিন সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক চেতনার সৈনিক এবং তিনি ছিলেন আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার চট্টগ্রামের বিশ্বস্ত লোক এবং তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেছেন, ধারণ করেছেন। জন্মেও আওয়ামী লীগ মৃত্যুতেও যেন আওয়ামী লীগ।’

জানাজায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কিভাবে কর্মী থেকে নেতা হওয়া যায় তার কাছে শেখার রয়েছে।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে মোসলেম উদ্দিন একজন আইকন বা অথরিটি ছিলেন। সূত্র: রাইজিং বিডি

তুরস্ক ও সিরিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ৫ শতাধিক

শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্কে ও সিরিয়ায় ৫ শতাধিক নিহত হয়েছেন।

তুরস্ক ও সিরিয়ায় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আঘাত হানে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

সিএনএন এর খবরে বলা হয়, অনেকে এখনো ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে রয়েছে।ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় অনেক মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। ভবনের ধ্বংসস্তূপে অনেকে আটকা পড়েছেন। অনেকে মারা গেছেন। অনেকে এখনো ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে রয়েছে।

ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় অনেক মানুষ ঘুমন্ত ছিলেন। ভবনের ধ্বংসস্তূপে অনেকে আটকা পড়েছেন। অনেকে মারা গেছেন।

এদিকে শক্তিশালী ভূমিকম্পে সিরিয়ার কমপক্ষে ২৩৭ জন মারা গেছে এবং ৬২৯ জন আহত হয়েছে।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

সেভিয়াকে হারিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এগিয়ে গেল বার্সেলোনা

লা লিগায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে বার্সেলোনা। গতরাতে সেভিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে তারা।

এই জয়ের ফলে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ৮ পয়েন্ট এগিয়ে গেছে জাভি হার্নান্দেজের দল। সেই সাথে টানা পঞ্চম জয়ে লিগ টেবিলে নিজেদের শীর্ষস্থান আরো মজবুত করেছে কাতালানরা।

শিষ্যদের সতর্ক করে ম্যাচের আগেই বার্সেলোনা কোচ জাভি পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন সেভিয়ার রক্ষণ ভাঙা সহজ হবে না। কেননা সেভিয়ার গোলমুখে থাকবেন বিশ্বকাপে নজরকাড়া মরক্কোর গোলরক্ষক বোনোউ। জাভির ধারণাই সঠিক ছিল প্রথমার্ধে।

প্রথমার্ধের পুরোটা জুড়ে পরিকল্পিত আক্রমণ চালায় বার্সেলোনা। ক্যাম্প ন্যুতে একের পর এক আক্রমণে তখন বিপর্যস্ত সেভিয়া। সফরকারীদের কোণঠাসা করলেও গোলমুখ খুলতে পারেনি কাতালানরা। প্রথমার্ধে কেবল গোলটাই অধরা ছিল স্বাগতিকদের। যেখানে বড় অবদান গোলকিপারের, রবার্ট লেওয়ানডস্কির নেয়া দারুণ দুটি শট বাঁচিয়ে দেন বোনোউ।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রং বদলায়। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮ মিনিটে এসে গোলের খাতা খুলে বার্সা। বদলি হিসেবে নামা বার্সা মিডফিল্ডার ফ্রাঙ্ক কেসির দারুণ এক পাসে বল জালে জড়ান জর্ডি আলবা। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। ম্যাচের ৭০ মিনিটে গোলের দেখা পান গাভি। রাফিনহার বাড়ানো বলে পা লাগিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।

৯ মিনিট পর স্কোর লাইন ৩-০ করেন রাফিনহা।জর্দি আলবার সাথে দারুণ বোঝাপড়ায় দলের তৃতীয় গোলটি এনে দেন এই ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার। এরপর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও আর গোলের দেখা পায়নি কেউ।

এই হারের ফলে সেভিয়া এখন রয়েছে পয়েন্ট তালিকার ১৬-তে। ২০ ম্যাচ থেকে মাত্র পাঁচটি জয় পেয়েছে তারা। দলটির পয়েন্ট ২১।

তুরস্কের শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৫ জন নিহত

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত কয়েক শ।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটের দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সিরিয়ার সীমান্তের কাছে কাহরামানমারাস এবং গাজিয়ানটেপ শহরের কাছেই। এর গভীরতা ছিল ১৭.৯ কিলোমিটার। ভূমিকম্পটি সাইপ্রাস, লেবানন ও সিরিয়াতেও অনুভূত হয়েছে।

গাজিয়ানটেপ ও ওসমানিয়া অঞ্চলের স্থানীয় প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, নিহত ১৫ জনের মধ্যে পাঁচজন ওসমানিয়া প্রদেশের। বাকি ১০ জন নিহত হয়েছেন সানলিউরফা প্রদেশে। প্রদেশটির গভর্নর জানিয়েছেন, নিহতরা সবাই ভবনের ধ্বংসস্তুপের মধ্যে আটকা পড়েছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বের বেশ কয়েকটি শহরের ভবন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। ভবনগুলোর নিচে বহু মানুষ আটকা পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সানলিউরফা প্রদেশের গভর্নর সালিহ আয়হান টুইটারে বলেছেন, আমরা ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাজধানী আঙ্কারা এবং অন্যান্য শহরেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রাণহানি এড়াতে ঘর থেকে দ্রুত বের হয়ে পথে চলে আসেন বহু মানুষ। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও ভূমিকম্প বেশ কিছুভবন ধসে পড়েছে। এতে আটকাও পড়েছেন অনেকে। দিয়ারবাকের শহরের একটি শপিং মল ধসে পড়েছে।

তুরস্ক বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত।

ঢাকায় এসেছেন বেলজিয়ামের রানি “মাথিল্ডে ম্যারি ক্রিস্টিন’

বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে ম্যারি ক্রিস্টিন তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানটি হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এসময় তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন বলেছেন, বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে জাতিসংঘ মহাসচিবের এসডিজি অর্জনের জন্য নিয়োজিত ১৭ জন অ্যাডভোকেটের একজন হিসেবে ৬-৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবেন।

জানা গেছে, বেলজিয়ামের রানি রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। তার সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করা হবে।

বাংলাদেশ সফরে রানি মাথিল্ডে একটি গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শন করবেন। তিনি ওই কারখানার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানবেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউনিসেফের পরিচালিত একটি স্কুল পরিদর্শন করবেন তিনি।

সফরসূচি অনুযায়ী, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন রানি মাথিল্ডে, সেখানে তিনি নারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে আলাপ করবেন। এছাড়া তিনি খুলনায় যাবেন। সেখানে ইউএনডিপির ওয়াটার সেক্টরের একটি প্রজেক্ট পরিদর্শন করে এর সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলবেন। মাথিল্ডে তাদের কাছে জানতে চাইবেন কীভাবে ওই প্রকল্প থেকে তারা সুবিধা পাচ্ছেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের ১৭ জন এসডিজি অ্যাডভোকেট আছেন, তাদেরই একজন বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। এ ছাড়াও রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, শান্তিতে নোবেলজয়ী ভারতের কৈলাশ সত্যার্থী ও বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। যারা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে বা অনু‌প্রেরণা যোগা‌তে তাদের ভূমিকা রয়েছে। সে কারণে রানি বাংলাদেশে আসছেন।

হিরো আলমকে অভিনন্দন জানালেন তথ্যমন্ত্রী

আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে এই অভিবাদন জানান মন্ত্রী।

রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলমকে অভিনন্দন জানিয়ে হাসান মাহমুদ বলেন, ‘আমি হিরো আলমকে অভিনন্দন জানাই। কারণ তিনি অনেক ভোট পেয়েছেন। তাকে এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ ভোট দিয়েছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তো অনেক কিছুই বলেন। তাই তিনি কী বললেন না বললেন তাতে কিছু আসে-যায় না। তবে আমি হিরো আলমকে অভিনন্দন জানাই।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রতিদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব এবং বিএনপি ও তাদের জোটের বিভিন্ন দলের নেতারা বক্তৃতা করে বেড়ান, এ দেশে গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন। তারা যখন প্রতিদিন এই কথাগুলো বলে বেড়াচ্ছেন, টেলিভিশনের পর্দা গরম করছেন, জনসভায় মানুষকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করছেন, দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন, তখনই গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দি ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) যে গণতন্ত্র সূচক প্রকাশ করেছে সেখানে বাংলাদেশ দুই ধাপ এগিয়ে ৭৩তম স্থানে উন্নীত হয়েছে।’

২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর গণতন্ত্রের সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৮ সালে বাংলাদেশ ৮৮তম, ২০১৯ সালে ৮০তম, ২০২০ সালে ৭৬তম, ২০২১ সালে ৭৫তম এবং ২০২২ সালে ৭৩তম স্থানে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ বিএনপি নেতারা যে বক্তব্যগুলো রাখেন সেগুলো যে মিথ্যা অসার, সেটিই এই রিপোর্টের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।’

তিনি. ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরো সংহত হতো, বাংলাদেশ গণতন্ত্রের সূচকে আরো কয়েক ধাপ উন্নীত হতো, যদি বিএনপির সংসদ বর্জন, সংসদ থেকে পদত্যাগ এই অপরাজনীতি না করত। কারণ গণতন্ত্রকে দৃঢ় ও সংহত করার দায়িত্ব যেমন সরকারি দলের, তেমনি বিরোধী দলেরও, সে বিরোধী দল সংসদে থাকুক কিংবা না থাকুক। গণতন্ত্রকে সংহত করা, গণতান্ত্রিক রীতিনীতি চর্চা করা, সেটি সমস্ত রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত দায়িত্ব। আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতন্ত্র যে সুসংহত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চা বিস্তৃত হয়েছে সেটির বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের এই রিপোর্ট।’

জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপির পত্র লেখা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব এই সমস্ত রিপোর্টকে অস্বীকার করেছিলেন। পরে মির্জা ফখরুল সাহেব স্বীকার করেছেন। এ ধরনের চিঠি বিদেশি রাষ্ট্রের কাছে লেখা সেটি শুধু জাতির জন্য, দেশের জন্যই অমঙ্গলজনক নয়, এটি দেশদ্রোহিতার শামিল। মির্জা ফখরুল সাহেবের চিঠির ভাষা যদি তাই হয় যে জিয়াউর রহমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাহলে বন্দুক উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করা সেটিই গণতন্ত্র কি না, বিএনপির কাছে আমার প্রশ্ন।

সূত্র: কালের কণ্ঠ