বাংলাদেশ
প্রধান খবর

নিয়োগপত্রের দাবিতে শাহবাগে প্রাথমিকের নির্বাচিত প্রার্থীরা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তাদের দাবি, ভেরিফিকেশন বা পুলিশি যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পরও তারা নিয়োগপত্র পাননি। আগামী ১ অক্টোবর অন্যান্য নির্বাচিত প্রার্থীর সঙ্গে তারাও চাকরিতে যোগ দিতে চান।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানার সামনের সড়কে অবস্থান নেন প্রায় ১০০ জন নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থী। এর আগে সকাল থেকেই তারা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন।

আন্দোলনকারীদের একজন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমরা চাই আজই আমাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হোক। অন্যথায় আমাদের আন্দোলন চলতে থাকবে।’

বিক্ষোভকারীদের ভাষ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে ভেরিফিকেশন শেষে এখনো অন্তত দুই হাজার প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি।

‘নিয়োগপত্রবঞ্চিত শিক্ষক’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে গতকাল শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

জানা গেছে, পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গতকাল শনিবার জানিয়েছিলেন, আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে যারা নিয়োগপত্র পাবেন না, তাদের বিষয়টি পর্যালোচনা করে ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এরপর গত মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সব নির্বাচিত প্রার্থীর পুলিশ ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দেয়।

নিয়োগপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় এর আগে একাধিকবার বিক্ষোভ করেছেন প্রার্থীরা। নিয়োগপত্র ও পদায়নের দাবিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা শাহবাগ এবং মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

গত ২৭ এপ্রিল অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ছত্রভঙ্গ করার সময় পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিপেটার অভিযোগ তুলেছিলেন কয়েকজন বিক্ষোভকারী। তবে পুলিশ ওই অভিযোগ অস্বীকার করে।

এরপর সরকার আগামী ১ অক্টোবর নির্বাচিত শিক্ষকদের চাকরিতে যোগদানের তারিখ নির্ধারণ করে।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button