নির্বাচনরাজনীতি
প্রধান খবর

শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত, এনসিপির নাহিদ ইসলামের নিন্দা

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান

রেজাউল করিমের মৃত্যুতে শোক ও নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

নাহিদ ইসলামের প্রতিক্রিয়া

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপির সশস্ত্র হামলায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।

তিনি লেখেন, “দেশের মানুষ যখন দীর্ঘদিন পর একটি বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে, ঠিক তখনই এই হত্যাকাণ্ড বিএনপির নব্য ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার চরিত্র স্পষ্ট করে।”
তিনি আরও বলেন, হামলা করে প্রতিপক্ষ দমন করার এই প্রবণতা অতীতের ফ্যাসিবাদী রাজনীতিকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।

ধারাবাহিক সহিংসতার অভিযোগ

নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ প্রার্থী হত্যার এটি প্রথম ঘটনা হলেও এটি বিচ্ছিন্ন নয়। বরং সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ওপর বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলার ধারাবাহিকতার অংশ

তিনি বলেন, “এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ১১ দলীয় জোটের গণজোয়ার থামানো যাবে না।”

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে এমন একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য অশনিসংকেত।

তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন যদি দ্রুত সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণ অরাজকতাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button