নির্বাচনসারাদেশ

হাসনাত আবদুল্লাহর আসনে বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকারের প্রার্থীর ভোট বর্জন

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত ও গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক মার্কার প্রার্থী জসিম উদ্দিন। এ আসনে তার অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে ফেসবুক লাইভে এসে কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি এ ঘোষণা দেন।

জসিম উদ্দিন বলেন, কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট ছিনতাই ও তার নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়েছে। অনেককে রক্তাক্ত অবস্থায় বের করে দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

গণঅধিকার পরিষদের এ প্রার্থী অভিযোগ করেন, টাকা দিয়ে ভোট কেনা হয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বীরা নিজেরাই ভোট কাটছেন। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের সার্বিক দিক বিবেচনায় তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

বিএনপির সমর্থন পেয়েছিলেন জসিম

এর আগে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিনকে সমর্থন দেয় বিএনপি।

ঋণখেলাপি হওয়ার অভিযোগে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হলে দলটি কার্যত প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়ে। পরে জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিনকে সমর্থনের নির্দেশ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তার পক্ষে মাঠে নামেন।

এই আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনেও ভোট বর্জন

এদিকে এজেন্ট বের করে দেওয়া ও জাল ভোটের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে সোনারগাঁয়ের মেঘনা শিল্প এলাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

অধ্যাপক রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, তার নির্বাচনী এজেন্টদের একাধিক কেন্দ্র থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে ভোটারদের মতামত প্রতিফলিত হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় তিনি বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসব অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন।

অধ্যাপক রেজাউল করিম অবিলম্বে এই নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানান।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button