
গাঢ় লালচে রঙ, দেখতে অনেকটা শালগোমের মতো হলেও
গুণ আর স্বাদে একেবারেই ভিন্ন এক সবজি-বিট রুট।
স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় দিন দিন জায়গা করে নিচ্ছে এই পুষ্টিগুণে ভরপুর সবজিটি।
মাটির নিচে জন্মানো বিট রুট বাজারে খুব বেশি চোখে না পড়লেও এর আলাদা চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে যারা স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আগ্রহী, তাদের কাছে বিট রুট বেশ পরিচিত একটি নাম।
শীতেই বিট রুটের মৌসুম
শীতকালই মূলত বিট রুটের মৌসুম। এ সময় উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে দাম তুলনামূলক কম থাকে। বর্তমানে বিট রুট বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। তবে গরম মৌসুমে ফলন কমে যাওয়ায় একই বিট রুটের দাম বেড়ে গিয়ে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকাতেও পৌঁছে যায়।
বিট রুট বিক্রেতারা জানান,
“শীত মৌসুমে বিট রুটের উৎপাদন বেশি হয় বলে দাম কম থাকে। কিন্তু গরমকালে চাহিদা বাড়লেও ফলন কম হওয়ায় দাম অনেক বেড়ে যায়।”
স্বাস্থ্যগুণেই বিট রুটের আসল পরিচয়
রঙ আর স্বাদের বাইরেও বিট রুটের সবচেয়ে বড় শক্তি এর পুষ্টিগুণ। নিয়মিত বিট রুট খেলে-
রক্তস্বল্পতা দূর করতে সহায়তা করে
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে
যেভাবে খাবেন বিট রুট
বিট রুট খাওয়ার রয়েছে নানা উপায়।
কাঁচা সালাদ হিসেবে,
জুস বানিয়ে,
সেদ্ধ করে
অথবা রান্না করেও খাওয়া যায় এই সবজি।
একজন ক্রেতা বলেন,
“শীতকালে বিট রুট তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী-হৃদরোগ, ব্লাড প্রেসার, ত্বক ও চুলের জন্য দারুণ। সালাদ, জুস বা সেদ্ধ করে সহজেই খাওয়া যায়।”
রঙে লাল, গুণে ভরপুর
রঙে লাল আর গুণে ভরপুর বিট রুট হতে পারে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
মৌসুমি এই সবজিটি শীতকালে যেমন সহজলভ্য, তেমনি সুস্থ থাকতে এর গুরুত্বও অপরিসীম।
তাই স্বাস্থ্য সচেতন হলে,
খাবারের তালিকায় বিট রুট রাখতে ভুলবেন না।



