
ঘুষ গ্রহণের মামলায় দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কন হিকে এক বছর আট মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহ্যাপ-এর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।
বুধবার (তারিখ উল্লেখ না থাকায়) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এই রায় ঘোষণা করেন। আদালত শেয়ারমূল্য কারসাজি ও রাজনৈতিক তহবিল আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে কিমকে খালাস দিলেও, ইউনিফিকেশন চার্চের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
কিম কন হি ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল-এর স্ত্রী। তার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী, রাজনীতিক ও ইউনিফিকেশন চার্চের কাছ থেকে অন্তত দুই লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের অর্থ ও উপহার গ্রহণের অভিযোগ ছিল।
গত ডিসেম্বর প্রসিকিউটররা অভিযোগ করেন, কিম নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থানে রেখেছিলেন এবং একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজশ করে সংবিধাননির্ধারিত ধর্ম ও রাষ্ট্রের পৃথকীকরণ নীতিকে দুর্বল করেছেন। প্রসিকিউটর মিন জুং কি বলেন, কিমের ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে দেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে কিম কন হি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। শেষ সাক্ষ্যে তিনি নিজের নির্দোষতার দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, অভিযোগগুলো চরমভাবে অন্যায়। একই সঙ্গে আদালতে ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন,
“গুরুত্বহীন একজন মানুষ হয়েও আমি ঝামেলা সৃষ্টি করেছি-এর জন্য দুঃখিত।”
উল্লেখ্য, কিমের স্বামী সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল গত বছর ক্ষমতাচ্যুত হন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারির ঘটনায় তিনি পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। এছাড়া পৃথক আরেক মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিও রয়েছে।
তথ্যসূত্র: জনকণ্ঠ



