
টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলমান সংঘাতের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। উত্তেজনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যেও ধর্মীয় রীতি পালনে বিরত থাকেনি সাধারণ মানুষ।
ইরান-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর যৌথ হামলার মাধ্যমে সংঘাতের সূচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। যদিও ইরান ছাড়া অন্য আরব দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও পুরো অঞ্চলে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ঈদের নামাজ সাধারণত খোলা মাঠ বা বড় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার কারণে সেই চিত্রে পরিবর্তন এসেছে।
আল জাজিরা-এর তথ্যমতে, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত মুসল্লিদের বড় জমায়েতে ঈদের নামাজ আদায় থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
যেসব স্থানে সাধারণত হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়, সেসব ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহে নামাজ না পড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে, শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরে সীমিত পরিসরে ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
যুদ্ধ ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের এই চিত্র মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতাকেই তুলে ধরছে।



