ক্রিকেট
প্রধান খবর

ডাবল সুপার ওভারের রোমাঞ্চ, ইতিহাস গড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা-আফগানিস্তান ম্যাচ

দক্ষিণ আফ্রিকা-আফগানিস্তান ম্যাচ হলেও ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম ছিল প্রায় ফাঁকা। মাঠে তেমন দর্শক না থাকলেও ম্যাচের শেষ দিকে টেলিভিশন সেটের সামনে ভিড় জমান ভক্ত-সমর্থকেরা। কারণ, ম্যাচে ঘটে যায় চোখ কপালে ওঠার মতো ঘটনা-ফল নির্ধারণে যেতে হয় দুই দফা সুপার ওভারে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম দেখা গেল ডাবল সুপার ওভার

চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে রোববার নিউজিল্যান্ডের কাছে ৭ উইকেটে হেরে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছিল আফগানিস্তান। আজ নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মূল ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে হয়েছে ৩৭৪ রান।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে এইডেন মার্করামকে (৫) ফেরান ফজলহক ফারুকি। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৬১ বলে ১১৪ রানের জুটি গড়েন কুইন্টন ডি কক ও রায়ান রিকেলটন।

১৩তম ওভারে ডি কক ও রিকেলটনকে ফিরিয়ে জোড়া ধাক্কা দেন রশিদ খান। তখন ১৩ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১২৭ রান। এক পর্যায়ে ২০০ রানের সম্ভাবনা জাগলেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৭ রানেই থামে প্রোটিয়ারা।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন রিকেলটন। ২৮ বলের ইনিংসে তিনি মারেন ৫টি চার ও ৪টি ছক্কা। আফগানিস্তানের আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।

১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানের শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩ রান, হাতে ছিল ১ উইকেট।

শেষ ওভারের প্রথম বল করেন কাগিসো রাবাদা-নো বল। পরের বল ওয়াইড। প্রথম বৈধ ডেলিভারিতে নুর আহমাদ তুলে মারতে গিয়ে লং অফে ক্যাচ তুললেও মার্কো ইয়ানসেন বল ফেলেন, তবে কোনো রান নেননি নুর। পরের বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মারেন তিনি। এরপর একটি ডট বল।

শেষ তিন বলে যখন প্রয়োজন ৫ রান, তখন আবার নো বল করেন রাবাদা। সেই নো বল থেকে আরও দুই রান নেন নুর।

প্রথম সুপার ওভারে আফগানিস্তান তোলে ১৭ রান। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকারও দরকার ছিল ১৭। প্রোটিয়ারাও ১৭ রান তুললে ম্যাচ গড়ায় দ্বিতীয় সুপার ওভারে।

এভাবেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ম্যাচ নির্ধারণে দেখা গেল ডাবল সুপার ওভার।

তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button