তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা বগুড়ায়, সিএন্ডবি পার্কে রোপণ ২১৩টি গাছ

পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তারেক রহমান ঘোষিত ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো বগুড়ায়। শনিবার বগুড়া শহরের মানুষের প্রিয় হাঁটাহাঁটির স্থান সিএন্ডবি পার্ক (শাকপালা মাড়) প্রাঙ্গণে এক ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। তারেক রহমানের ঘোষণার পর সারাদেশে প্রথমবারের মতো এই কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয় বগুড়াতেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ২১৩টি আসনে বিজয়ের সংখ্যাকে স্মরণীয় করে রাখতে স্টার্টআপ বগুড়া এবং বগুড়া জেলা স্কুল-কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে ২১৩টি গাছ রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এসব শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এবং জাতীয় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিবিআরআই–আইবিএম-এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হাসান মাহবুব।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্টার্টআপ বগুড়ার প্রেসিডেন্ট মিশউর শাফী, ডিরেক্টর সৈয়দ আহমাদ ফয়সাল, এটিএম শৌফিকুল ইসলাম, চিফ কোঅর্ডিনেটর আব্দুর রহমান নিয়াজ ও জাবায়ের বিসিকসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বগুড়া জেলা স্কুল-কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে অংশ নেন এ কে এম মিজান কলেজ ছাত্র সংসদের সভাপতি এ কে এম আহসান হাবীব রাফি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক শৌফিক চৌধুরী, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক গাজী শৌফিকুর রহমান চৌধুরী, আল হাসিবুল হক, আসিফ উল ইসলামসহ অনেকে।
বৃক্ষরোপণ শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার প্রতীক। বগুড়ার শিক্ষার্থীরা যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা সারাদেশের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
হাসান মাহবুব বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ একসঙ্গে এগোতে হবে। আজকের এই উদ্যোগ প্রমাণ করেছে- সঠিক পরিকল্পনা থাকলে পরিবর্তন সম্ভব।
এ কে এম আহসান হাবীব রাফি বলেন, যুবশক্তিকে যদি সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া যায়, তবে দেশ গঠনের কাজ আরও গতিশীল হবে। আমরা চাই এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ুক।
স্টার্টআপ বগুড়ার প্রেসিডেন্ট মিশউর শাফী মিঞা বলেন, বগুড়া থেকেই আমরা একটি দায়িত্বশীল সূচনা করতে চেয়েছি। সামাজিক উদ্যোগ ও পরিবেশ রক্ষায় স্টার্টআপ বগুড়া সবসময় পাশে থাকবে। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার।
আয়োজকরা জানান, এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে এবং পর্যায়ক্রমে বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্প্রসারিত করা হবে।



