
প্রশ্ন ফাঁসের খবরের পর পরীক্ষা স্থগিত, রাত জেগে প্রতিমন্ত্রীর নতুন প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তার মধ্যে নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা-সব মিলিয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদের বাছাই পরীক্ষা নিয়ে ছিল ব্যাপক আলোচনা। অবশেষে বহুল আলোচিত এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ হাজার ৩৮৬ জন প্রার্থী।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব ও বিভাগীয় নিয়োগ কমিটির সভাপতি ডি এম আতিকুর রহমানের সই করা এক অফিস আদেশে এ ফল প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (গ্রেড-১১) পদে ২৪২টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। পদটির পূর্বনাম ছিল ক্রেডিট সুপারভাইজার।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাক্-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার তারিখ, সময় ও কেন্দ্র পরবর্তী সময়ে অধিদপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে (www.dyd.gov.bd) প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি টেলিটকের মাধ্যমে প্রার্থীদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে এ তথ্য জানানো হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে কোনো প্রার্থী অসদুপায় অবলম্বন বা অনিয়ম করলে তাঁর প্রার্থিতা ও ফলাফল সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, ২৪২টি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ার খবর সামনে আসায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
পরবর্তী সময়ে প্রশ্নপত্র তৈরি ও ছাপানোর স্থান পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ নতুন প্রশ্নে ১৬ অক্টোবর পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষার আগের রাতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক নিজেই সচিবালয়ে রাত কাটান।


