
সাকিব আল হাসান-এই নামটা কেবল একজন ক্রিকেটারের পরিচয় নয়, বরং বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক আবেগ, এক আস্থা ও এক গর্বের প্রতীক। দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের অপেক্ষা ছিল, কবে আবার জাতীয় দলের নীল-সবুজ জার্সিতে দেখা যাবে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারকে। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটার ইঙ্গিত দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
জাতীয় দলে সাকিবের ফেরার পথ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাঁর ফিটনেস ও অ্যাভেইলেবিলিটি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচকেরা তাঁকে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। অর্থাৎ, যেসব ভেন্যুতে খেলার মতো শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকবেন, সেসব সিরিজেই সাকিবকে দলে দেখা যেতে পারে।
দেশে-বিদেশে সিরিজে সুযোগ
বিসিবি সূত্র জানায়, দেশে হোক কিংবা দেশের বাইরে-আগামী সিরিজগুলো থেকেই সাকিবকে দলে ডাকতে পারবেন নির্বাচকেরা। পুরোপুরি ফিট থাকলে বাংলাদেশের পরবর্তী হোম ও অ্যাওয়ে সিরিজে মাঠে নামার সুযোগ থাকবে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের।
কেন্দ্রীয় চুক্তির প্রস্তাব
শুধু দলেই ফেরার সম্ভাবনা নয়, সাকিবকে আবারও কেন্দ্রীয় চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে বিসিবি। এটিকে তার প্রতি বোর্ডের আস্থারই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আইনি বিষয়েও বোর্ডের উদ্যোগ
সাকিবের চলমান মামলা ও আইনি জটিলতা নিয়েও সক্রিয় ভূমিকা নিতে যাচ্ছে বোর্ড। এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।
বিসিবির বক্তব্য
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিসিবির জরুরি সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন,
“সর্বসম্মতিক্রমে বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সাকিব আল হাসানকে তাঁর অ্যাভেইলেবিলিটি ও ফিটনেস সাপেক্ষে সিলেকশনের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হবে।”
সব মিলিয়ে, আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে সাকিব আল হাসানকে দেখার স্বপ্ন নতুন করে জেগে উঠেছে কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর মনে। এখন অপেক্ষা শুধু একটাই-মাঠে ফেরার সেই চেনা মুহূর্তের।
তথ্যসূত্র: বিসিবি



