জোহানেসবার্গের ওয়ানডার্সে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নিজেদের…
বিস্তারিত>>দক্ষিণ আফ্রিকা-বাংলাদেশ সিরিজ
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরিয়নে ঐতিহাসিক জয়ের পর রোববার ফের মাঠে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে…
বিস্তারিত>>দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আগে কখনই কোনো সংস্করণে ম্যাচ না জেতার লজ্জার রেকর্ড বয়ে বেড়াচ্ছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২০ বছরে অবশেষে এল আরাধ্য জয়। শুক্রবার সেঞ্চুরিয়নে ডে-নাইট ওয়ানডে ম্যাচে স্বাগতিকদের ৩৮ রানে হারিয়ে দিয়েছে তামিম ইকবালের দল। ২০ বারের চেষ্টায় এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে গত জানুয়ারিতে কিউইদের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট জিতে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশ এবার জয় করল দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩১৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রোটিয়ারা ৯ বল বাকি থাকতে গুটিয়ে গেছে ২৭৬ রানে। প্রথম ৫ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। অভিজ্ঞ তাসকিন ১০ ওভারে ৩৬ রানে নেন তিনটি উইকেট, আর তরুণ শরিফুল ৪৭ রানে নিয়েছেন দুটি উইকেট। মাঝে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা ডেভিড মিলারসহ মোট চার উইকেট তুলে নিয়ে অসাধারণ অবদান রাখেন স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজও। তিনি ৬১ রানে নেন চারটি উইকেট। আর শেষ ব্যাটার কেশব মহারাজকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মাহমুদউল্লাহ। তাসকিন ও শরিফুল ১২১ রানের মধ্যেই চারটি উইকেট তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের বড় ধাক্কা দেন। বিপর্যয় সামলে রাসি ফন ডার ডুসেন (৮৬) ও মিলার (৭৯) প্রাণান্ত চেষ্টা করলেও প্রথম জয়ের আশায় হৃদয় নিংড়ে দিয়ে খেলা টাইগারদের হতাশ করতে পারেননি দুজন। এর আগে সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও ইয়াসির আলীর হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করে তিনশোর্ধ্ব সংগ্রহ পেয়ে যায় বাংলাদেশ। সাকিব ৬৪ বলে ৭৭ রান করেন ৭ বাউন্ডারি ও তিন ছক্কায়। এছাড়া তামিম ৬৭ বলে ৫০, ইয়াসির ৪৪ বলে ৫০ রান করেন। লিটন কুমার দাস ৬৭ বলে ৪১, মাহমুদউল্লাহ ১৭ বলে ২৫, মেহেদী হাসান মিরাজ ১৩ বলে ১৯ ও আফিফ হোসেন ১৩ বলে ১৭ রান করে দলের রান বড় হতে সাহায্য করেছেন। ১২৪ রানে তিন উইকেট পতনের পর সাকিব ও ইয়াসিরের মাত্র ৮২ বলে ১১৫ রানের জুটি বাংলাদেশ দলের বড় সংগ্রহে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া ওপেনিং জুটিতে তামিম ও লিটনের ১৩০ বলে খেলা ৯০ রানও মূল্যবান। কেননা তাদের গড়ে দেয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই সংগ্রহটা বড় করেছেন সাকিবরা। অনবদ্য খেলা বাংলাদেশ শেষ ২০ ওভারেই তুলে নেয় ১৮০ রান। আগের তিন ম্যাচে মাত্র ১ রান করা ইয়াসির চতুর্থ ওয়ানডে ম্যাচে এসে পেলেন প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। তাও দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ঝড়ো ব্যাটিং করে। ৪৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ইনিংসটি সাজিয়েছেন চার বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায়। সুপারস্পোর্ট পার্কে আগের ছয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতেই আগে ব্যাটিং করা দল হেরেছে। তাই কাল টস জিতেই বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় প্রোটিয়ারা। যদিও কোনো রেকর্ডই এদিন পথ রুখতে পারেনি টাইগারদের।
বিস্তারিত>>

