বগুড়ায় শিক্ষাঙ্গণের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে: জেলা পরিষদের প্রশাসক জাকির

বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম আহসানুল তৈয়ব জাকির বলেছেন, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্যের কারণে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়াঙ্গনের অবস্থা ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। এ বৈষম্য দূর করে পর্যায়ক্রমে সব খাত ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার সকালে সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়-এ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ.কে.এম আহসানুল তৈয়ব জাকির বলেন, বিগত ১৭ বছরে বগুড়ার সঙ্গে বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে তিনি অবকাঠামোর ভঙ্গুর অবস্থা দেখেছেন, যা দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্যের বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে ক্রীড়াঙ্গন- সবখানেই উন্নয়নের নামে দুর্নীতি হয়েছে। তবে তারেক রহমান-এর দিকনির্দেশনায় এ বৈষম্য দূর করে সব খাতকে নতুনভাবে গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়-এ বিভিন্ন সময়ে তারেক রহমান ও খালেদা জিয়া এসেছিলেন। অথচ বর্তমানে বিদ্যালয়টির অবকাঠামোর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক।
এ সময় বিদ্যালয়ের বেঞ্চ, টেবিল ক্রয় এবং জরুরি সংস্কার কাজের জন্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম-এর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন এনামুল হক শাহিন, জাহাঙ্গীর আলম এবং আবু হাসান।
আবু হাসান বলেন, সুশিক্ষা ছাড়া কোনো জাতির মুক্তি সম্ভব নয়। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে বাধা হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আতাউর রহমান শামীম, ইমরান হোসেন, সৌরভ হাসান শিবলু ও মিনহাজুল ইসলাম তুহিনসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ১৫০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বিদায় সংবর্ধনা ও প্রবেশপত্র দেওয়া হয়।



