১৬ দেশের ৫৮ প্রতিষ্ঠানকে পেছনে ফেলে দেশ সেরা রিমার্ক-হারল্যান

সমেটিকস পণ্য উৎপাদনে দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়েছে রিমার্ক-হারল্যান। একই সঙ্গে প্রদর্শনীর সেরা প্যাভিলিয়নের পুরস্কারও অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘কসমেটিকা ঢাকা’ প্রদর্শনীর শেষ দিন শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রিমার্কের প্যাভিলিয়নে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সামগ্রিক মান, উৎপাদন সক্ষমতা, প্যাভিলিয়নের নকশা ও উপস্থাপনার দিক বিবেচনা করে রিমার্ক-হারল্যানকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রদর্শনীর আয়োজক স্কোয়াড মাইন্ড গ্লোবাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়সাল মুনিম প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননার ক্রেস্ট তুলে দেন।
রিমার্কের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর মিজানুর রহমান, হারল্যানের বিপণন বিভাগের প্রধান হাবিবুল্লাহ হাবিবসহ প্রতিষ্ঠানের অন্য প্রতিনিধিরা।
এস এম ফয়সাল মুনিম বলেন, কসমেটিকস শিল্পে রিমার্কের অবদান উল্লেখযোগ্য। কসমেটিকা প্রদর্শনীতে প্রতিষ্ঠানটির আধুনিক উৎপাদন সক্ষমতার উপস্থাপন, ব্যতিক্রমী প্যাভিলিয়ন নকশা এবং পেশাদার আয়োজন বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি বলেন, রিমার্কের প্যাভিলিয়ন শুধু পণ্য প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের কসমেটিকস শিল্পের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাও দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠান, দর্শনার্থী, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াও এ স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
রিমার্কের পরিচালক (ফার্মা) সুকান্ত দাশ এ অর্জনকে শুধু প্রতিষ্ঠানের নয়, দেশের কসমেটিকস শিল্পের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ১৬ দেশের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রিমার্কের সেরা হওয়া দেশীয় উৎপাদকদের আরও উৎসাহিত করবে। প্রদর্শনীতে ১৬টি দেশের ৫৮টি কোম্পানির অংশগ্রহণের তথ্যও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুকান্ত দাশ বলেন, নকল ও ভেজাল পণ্যের ভিড়ে ভোক্তাদের কাছে আসল পণ্য পৌঁছে দিতে রিমার্ক কাজ করছে। এই স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রথমবার কসমেটিকা ঢাকায় অংশ নিয়েই এমন স্বীকৃতি পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন রিমার্কের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, এ অর্জন তাদের কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা আরও বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি ও নতুন পণ্য নিয়ে মানুষের সামনে হাজির হওয়ার পাশাপাশি কসমেটিকস খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতাও তুলে ধরতে চান তারা।
হারল্যানের বিপণন বিভাগের প্রধান হাবিবুল্লাহ হাবিব বলেন, রিমার্কের পণ্য শুধু দেশের বাজারে সীমাবদ্ধ নেই, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও পৌঁছে যাচ্ছে। নতুন এই অর্জন তাদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।
রিমার্ক-হারল্যানের এই অর্জনে শুভেচ্ছা জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি)। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের কসমেটিকস খাতে রিমার্কের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। দেশে আন্তর্জাতিক মানের কসমেটিকস ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ছে।
বর্তমানে রিমার্কের আধুনিক উৎপাদন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য দেশের বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও সম্প্রসারিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: নিউজ নাও ২৪



