জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি ঘোষণা

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের প্রবেশ পদে ১১তম গ্রেড প্রদান, উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে সারা দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের সংগঠন ঐক্য পরিষদ।

শনিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি শাহিনুর আল আমিন ও বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের সভাপতি আনিসুর রহমান এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বক্তব্যে বলা হয়, দেশের প্রান্তিক এলাকায় প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা অবহেলিত। বর্তমানে একজন সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে যোগদান করে মাত্র ১৭,৬৫০ টাকা বেতন পান, যা বর্তমান বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

শিক্ষকরা দাবি করেছেন, এন্ট্রি পদে ১১তম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করলে সর্বসাকূল্যে বেতন হবে ১৯,৮২৫ টাকা। একই শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অন্যান্য সরকারি চাকরিজীবীরা ১০-১১তম গ্রেডে যোগদান করেন, কিন্তু প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা বহু বছর ধরে ১৩তম গ্রেডে রয়েছেন। ২০০৯ সাল থেকে পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত থাকায় অধিকাংশ শিক্ষক জীবনভর সহকারী শিক্ষক হিসেবেই অবসর নিচ্ছেন।

শিক্ষকদের ১১ সংগঠনের মূল দাবিগুলো হলো:

  • সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রি পদে ১১তম গ্রেড প্রদান
  • ১০ ও ১৬ বছরের উচ্চতর গ্রেড প্রদানের জটিলতা নিরসন
  • শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পদোন্নতি নিশ্চিত করা

দাবি পূরণ না হলে ২৩-২৪ নভেম্বর অর্ধদিবস, ২৫-২৬ নভেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি এবং ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া বৃত্তিসহ সব পরীক্ষা বর্জন এবং ১১ ডিসেম্বর থেকে আমরণ অনশন শুরু করার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: মানবকণ্ঠ

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button