
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই বুরকিনা ফাসোর জালে রীতিমতো গোলের বন্যা বইয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। প্রতিপক্ষের রক্ষণ গুঁড়িয়ে দিয়ে ৭-০ গোলের দাপুটে জয় পেয়েছে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ১৭ ম্যাচের ১৬টিতেই জয় পেল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
রোববার (৪ অক্টোবর) আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের মধ্যে ৬০ ধাপের ব্যবধানের ছাপ মাঠেও স্পষ্ট ছিল। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় আলবিসেলেস্তেরা।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই পেনাল্টি থেকে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লাউতারো মার্টিনেজ। বক্সের ভেতরে আগুস্তিন জিয়েকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন বুরকিনা ফাসোর মুমুনি দিয়ালো। লাউতারোর প্রথম স্পট-কিক গোলরক্ষক আবদুল গুইরা ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি শটে বল জালে জড়ান আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার।
এর চার মিনিট পরই বড় ভুল করেন দিয়ালো। প্রতিপক্ষের শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে বল নিজেদের জালেই ঢুকিয়ে দেন তিনি।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করেন জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি। লাউতারো মার্টিনেজের নিখুঁত পাস থেকে দারুণ প্লেসমেন্টে গোল করেন এই তরুণ।
মাত্র আট মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল হজম করে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে পড়ে বুরকিনা ফাসো। ৭৫ শতাংশেরও বেশি সময় বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে প্রতিপক্ষকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৩৫তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে নিচু শটে দলের চতুর্থ গোলটি করেন নিকো পাজ। বিরতির ঠিক আগে প্রেস্তিয়ানির পাস থেকে পঞ্চম গোলটি এনে দেন হুলিয়ান আলভারেজ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দলের তারকা খেলোয়াড়দের তুলে নিয়ে বেঞ্চের খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করেন স্কালোনি। অন্যদিকে ব্যবধান কমানোর আশায় একাধিক পরিবর্তন আনেন বুরকিনা ফাসোর কোচ আমির আবদু।
তাতেও অবশ্য আর্জেন্টিনার গোলের ক্ষুধা কমেনি। ৫৭তম মিনিটে চমৎকার দলীয় আক্রমণ থেকে জোরালো শটে ষষ্ঠ গোল করেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতোনো।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে হেডে বুরকিনা ফাসোর জালে শেষ পেরেকটি ঠোকেন হুলিয়ানো সিমেওনে। ফলে ৭-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
শেষ দুই ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১-তে। অন্যদিকে নিজেদের শেষ সাত পরাজয়ের ছয়টিতেই কোনো গোল করতে না পেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোকে।
তথ্যসূত্র: যমুনা টিভি



