বগুড়া লাইভ - আপডেট
প্রধান খবর

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসিয়ে শরিফুলের ৬ উইকেট

প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেছিলেন শরিফুল ইসলাম। এবার বল হাতে ম্যাকাইয়ের বাইশ গজে আগুন ঝরিয়ে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামালেন এই বাঁহাতি পেসার। একাই তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট।

ম্যাচের দ্বিতীয় সেশনটি ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। দুই দল মিলিয়ে এই সেশনে পতন ঘটেছে মোট ৭টি উইকেটের।

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হলেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শুরুতেই চাপ তৈরি করে টাইগাররা। মাত্র ৪১ রানেই স্বাগতিকদের ৩ উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। চা-বিরতিতে যাওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৫০ রান।

তবে একপ্রান্তে স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের ৫০ রানের বেশি জুটি কিছুটা স্বস্তিতে ছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত সেই বিপজ্জনক জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন শরিফুল।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ের শুরু থেকেই চাপ তৈরি করে বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় ওভারে অজি ওপেনার ম্যাট রেনশকে ৮ রানে স্লিপে তানজিদ হাসান তামিমের ক্যাচে পরিণত করেন তাসকিন আহমেদ।

২২ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর অষ্টম ওভারে আক্রমণের রাশ নিজের হাতে তুলে নেন শরিফুল। ওভারের দ্বিতীয় বলেই ট্র্যাভিস হেডকে ২২ রানে ইনসাইড এজে বোল্ড করেন তিনি। মাত্র চার বল পরই মার্নাস লাবুশেনকেও ফেরান এই বাঁহাতি পেসার। ভেতরে ঢোকা বলে খাতা খোলার আগেই বোল্ড হয়ে ফেরেন লাবুশেন।

দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন শরিফুল। স্মিথ ও গ্রিনের গড়ে তোলা ৭৭ রানের জুটিতে আঘাত হানেন তিনিই।

সোজা ডেলিভারিতে স্মিথকে এলবিডব্লিউ দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েও রক্ষা পাননি অজি ব্যাটার। আম্পায়ার্স কলে ৬ চারে ৪২ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

এরপর ১১৮ রানে চতুর্থ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়াকে আরও চাপে ফেলে দেন শরিফুল। একে একে ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককেও ফিরিয়ে স্বাগতিকদের ব্যাটিং অর্ডার তছনছ করে দেন তিনি।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button