বগুড়ার ইতিহাস

বগুড়ার খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব

বগুড়ার ইতিহাস, ঐতিহ্য যেমন সমৃদ্ধশালি তেমনি যুগে যুগে এ অঞ্চলে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জন্ম গ্রহণ করেছেন। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাদের অবদান অপরিসিম। উল্লেখযোগ্য কিছু প্রখ্যাত ব্যক্তিবর্গ যাদের অবদানের কারণে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন তাদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা তুলে ধরা হলো :

১। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বঃ

ক্রমিক নাম জন্ম ও জন্মস্থান অবদান
১মোহাম্মদ আলী১৯০৯ সালের ১৯ অক্টোবর১৯৫৩ সালের ১৭ অক্টোবর তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তৎকালীন  রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার অবদান স্মরণীয়।
২সাবেক রাষ্ট্রপতি লেফট্যানেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, বগুড়া জেলার গাবতলি উপজেলাধীন বাগবাড়িতেস্বাধীনতা মুক্তিযোদ্ধাকালীন জেড ফোর্সের অধিনায়ক ও ১নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা।    তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২১ এপ্রিল ১৯৭৭  থেকে ৩০ মে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত অধিষ্ঠিত ছিলেন। ৩০ মে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে তিনি  কতিপয় আততায়িদের হাতে নিহত হন।
৩বেগম খালেদা জিয়া১৫ আগস্ট ১৯৪৬ সালে দিনাজপুর জেলায়সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
বর্তমান বিরোধি দলীয় নেত্রী 
এবং 
চেয়ারপার্সন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
৪হাবিবুর রহমান (বুলু মিঞা)১৯০৮ সালে জন্ম৫০ ও ৬০ দশকে তিনি অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, যগোস্লাভিয়া ও বার্মায়  রাষ্ট্রদুত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৫রজিব উদ্দীন তরফদার১৮৯১ সালে, সারিয়াকান্দি১৯২২ সালে তিনি প্রজা আন্দোলনের গোড়া পত্তন করেন এবং বগুড়া জেলা প্রজা সমিতি গঠন করেন।  তিনি প্রজা আন্দোলনে ব্যপক ভূমিকা রাখেন।
৬ফজলুল বারী১৯২২ সালে, শিবগঞ্জপাকিস্তান আমলে তিনি স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ পদে মন্ত্রী নিযুক্ত হন।

অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে হাবিবুর রহমান ভান্ডারি, প্রফুল্ল চাকি, মজিবর রহমান, মামদুদুর রহমান চৌধুরী, আমিনুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, তারেক রহমান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। 

২। সমাজসেবক

ক্রমিক সংখ্যা নাম জন্ম ও জন্মস্থান অবদান
১ডাঃ হাবিবুর রহমান১৮৯৩ সালে গাবতলিচিকিৎসা ও সমাজ সেবায় তার ব্যাপক অবদানরয়েছে।
২আব্দুল বারী বি, এলগাবতলি থানার জয়ভোগা গ্রামে১৯৪৫ সাল হতে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত বগুড়া মিউনিসিপালিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন  সংস্কারমূলক কাজ করেন।
৩ওয়াজেদ হোসেন তরফদার১৯২৯ সালে সারিয়াকান্দিজনগণের কল্যানে বগুড়া-সায়িাকান্দি রোডে সংকস্কার, ব্রীজ নির্মান ও যমুনা নদীতে বাঁধ নির্মানে  অসামান্য ভূমিকা রাখেন।
৪আজিজুল হককাহালু থানার দেওগ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। সাবেক সংসদ সদস্য।   বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন।
৫কবিরাজ শেখ আব্দুল আজিজ১৮৮১ সালে, বগুড়া সদর১৯২১ সালে খেলাফত অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করেন।   ১৯২৪ সালে প্রজা আন্দোলনে যোগদান করেন এবং  কৃষকদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন  করেন।
৬এ,কে মুজিবর রহমান১৯২২ সালে, বগুড়া সদরজনসাধারণের সুবির্ধার্থে করতোয়া নদীর উপর ব্রীজ, ০১টি মেডিক্যাল কলেজ, মহিলা কলেজ, বিমান বন্দর  ও সুগারমিল স্থাপনের জন্য ব্যাপক অবদান রাখেন।
৭বেগম মাহমুদা সাদেক১৯২৯ সালে, বগুড়া সদর বাগবাড়িতে ১টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। ১৯৪৫ সালে ইন্ডিয়ান রেটক্রস সোসাইটির সভ্য  নির্বাচিত হন।  বগুড়া জেলা মহিলা আত্মরক্ষা সমিতির ভাইস  প্রেসিডেন্ট ছিলেন। কুঠির শিল্প কেন্দ্র স্থাপন করে মহিলাদের কর্মসংস্থানের  সুযোগ সৃষ্টি করেন।

এছাড়া অন্যান্য সমাজসেবকের মধ্যে ডাঃ মফিজ উদ্দিন আহম্মদ, মোহম্মদ ইসাহাক, বিএম ইলিয়াস, সিরাজুল হক , আব্দুল আলীম, আব্দুল হামিদ খান, মাহবুবর রহমান চৌধুরী, মনির উদ্দীন চৌধুরী, এমএম পাইকাড়, গোলাম রববানী সরকার, হাম্মাদ আলী, মোহাম্মদ মুরাদুজ্জামান, আমজাদ হোসেন তালুকদার, শাহ মোজাম্মেল হক, ইছাহাক গোকুলী, বেগম জিয়াউন্নাহার তালুকদার প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

৩। চিকিৎসাবিদঃ

ক্রমিক সংখ্যা নাম জন্ম ও জন্মস্থান অবদান
১ডাঃ মহম্মদ ইয়াছিন১৯২৬ সালে, বগুড়া সদর থানাবগুড়া রেটক্রসের সহ-সভাপতি ছিলেনবগুড়া মুক ও বধির স্কুলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাকিস্তান মেডিক্যাল এসোসিয়েশন, বগুড়া শাখার  সহ-সভাপতি ছিলেন। বগুড়া স্কাউটের সহকারি স্কাউট কমিশনার ছিলেন।  ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ারের  সদস্য ছিলেন।
২ডাঃ ননী গোপাল দেবদাস১৯১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি , বগুড়া সদর১৯৩৬ সালে কলকাতা কারমাইকেল মেডিক্যাল কলেজ থেকে এম,বি পরীক্ষায় কৃতকার্য হয় এবং স্ত্রী বিদ্যায়  স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৪৭ সালে A hand book of pediatrics নামে  শিশু বিষয়ক চিকিৎসার বই প্রকাশ করেন। দুর্ভিক্ষ ও মহামারির সময় তিনি আর্তমানবতার সেবায়  ব্যাপক অবদান রাখেন।
৩ডাক্তার টি, আহম্মদ১৯০৬ সালে, গাবতলিতিনি চক্ষু চিকিৎসা বিষারদ হিসেবে এ অঞ্চলে খ্যাতি অর্জন করেন।
৪ডাক্তার এস.আই.এম গোলাম মান্নান১৯১৮ সাল ২৫মে, সারিয়াকান্দি১৯৫০ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এনাটমি বিভগের এ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর ও ১৯৫৯ সালে প্রফেসর হিসেবে  দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের  প্রেসিডেন্ট পদ লাভ করেন।

এছাড়া অন্যান্য চিকিৎসকদের মধ্যে ডাঃ কছির উদ্দিন তালুকদার, ডাঃ রাবেয়া আহম্মদ, ডাঃ মোঃ আব্দুল লতিফ, ডাঃ মুনসুর রহমান, ডাঃ মোজাফফর রহমান, ডাঃ এ এইচ সাজেদুর রহমান, ডাঃ প্যারি শংকর দাশ গুপ্ত, ডাঃ লতিফা সামসুদ্দীন, ডাঃ মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। 

৪। আইনবিদঃ

ক্রমিক সংখ্যা নাম জন্ম ও জন্মস্থান অবদান
১কলিম উদ্দীন আহম্মদ১৮৯০ সালে, কাহালু থানায়একজন প্রসিদ্ধ আইনবিদ হিসেবে বগুড়া বারে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হন।
২খান বাহাদুর ইব্রাহিম১৮৭১ সালে গাবতলি১৯১১ সালে সার্টিফিকেট অব অর্নার প্রাপ্ত হন।১৯১২ সালে দিল্লী দরবার মেডেল ১৯১৬ সালে  কাইসার হিন্দ সিলভর মেডেল লাভ করেন।
৩মজিবর রহমান১৯৩৬ সালে ১জুলাই, বগুড়া সদর১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে ‘ল’ ডিগ্রি লাভ করেন এবং ১৯৬২ সালে আইনজীবি হিসেবে  বগুড়া বারে যোগদান করেন। ১৯৬৪ সালে সরকারি  পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হন।
৪গাজীউল হক—১৯৫২সালের ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দান করেন।বগুড়া বারের বিশিষ্ট আইনজিবি হিসেবে যথেষ্ট সুনাম  অর্জন করেছেন।

এছাড়াও আইনবিদদের মধ্যে আব্দুল জোববার, কাবেজ উদ্দিন আহম্মেদ, আব্দুস সাত্তার তরফদার, নারায়ন দাশ ভৌমিক, আই.এস এম কেরামত আলী, মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম, আকবর হোসেন আকন্দ, রইস উদ্দীন আহম্মদ, সুরেশ চন্দ্র নন্দি, একেএম মকবুল হোসেন, মোজাফ্ফর হোসেন খন্দকার, আবেদুর রহমান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। 

৫। শিক্ষাবিদঃ

ক্রমিক সংখ্যা নাম জন্ম ও জন্মস্থান অবদান
১অধ্যক্ষ খোদেজা খাতুন১৯১৭ সালের ১৫ আগস্ট, বগুড়া সদর১৯৬৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানের একমাত্র তিনি প্রেসিডেন্ট পদক লাভ করেন। তিনি রাজশাহী গভর্ণমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষা ছিলেন।
২অধ্যাপক এ.কে.এম নুরুল ইসলাম১৯২৮ সালে, বগুড়া সদররাজশাহী বিভাগ তথা উত্তরবঙ্গে প্রথম ছাত্র হিসেবে উর্দু ভাষায় এম ডিগ্রি লাভ করেন। উর্দু ও বাংলাসহ তিনি ৬টি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন।
৩অধ্যাপক এ.কে আজাদ১৯৩০ সালে১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর ভাইস প্রিন্সিপাল ছিলেন। ১৯৬৮ সালে রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের  অধ্যাপক ছিলেন।

এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষাবিদদের মধ্যে অধ্যাপক আতাউর রহমান, এস.এম খলিলুর রহমান, অধ্যাপিকা ছালেহা খাতুন, ছমির উদ্দীন আহম্মদ, সুজ্জাত আলী, মহসিন আলী দেওয়ান, জসীম উদ্দীন আহমেদ, হুসনেআরা বেগম, মোজাম্মেল হক তালুকদার প্রমুখ নাম উল্লেখযোগ্য।

৫। কবি, লেখক ও সাহিত্যিকঃ

ক্রমিক সংখ্যা নাম জন্ম ও জন্মস্থান অবদান
১কে এম শমসের আলীবাংলা ১৩১৬ সালকবি প্রতিভার কারণে তাকে কবিরত্ন ও সনেট বিষারদ উপাধি দেয়া হয়। আলিম্পন, পাকিস্তানের গান, সুরের মায়া, স্বাক্ষর,  সোনার কমল, রমনার কবি প্রভৃতি কাব্য ও গীতিনাট্য  রচনা করেন।
২এম. শামছুল হক১৯২৭ সালেতিনি পল্লী তরুণী, অগ্নিশিখা, ফরিয়াদ, সাজেদা, পলাতকের চিঠি, উৎসর্গ, ভালবাসা, খাল বিল নদী  উপন্যাস এবং মিতালি পাঠাগার, শিল্পীর সাধনা,  মিথ্যার খেসারত ইত্যাদি নাটক রচনা করেন। তিনি সাহিত্য কুঠিরের প্রতিষ্ঠা করেন।
৩তাজমিলুর রহমান১৯২৫ সাল, বগুড়া জেলার কর্ণপূরকলির জ্বীন, রুপচাঁদ, সুবেহ উম্মিদ, কারিগর(নাটক),অমৎসর, লঘুগুরু(ব্যঙ্গ রচনা) প্রভৃতি রচনা করেন।
৪রোমেনা আফাজ১৯২৬ সালে, বগুড়া শেরপুরদেশের মেয়ে, কাগজের নৌকা, শেষ মিলন, আলেয়ার আলো, জানি তুমি আসবে, প্রিয়ার কন্ঠস্বর, ভুলের  শেষে, রক্তে অাঁকা ম্যাপ, মান্দিগড়ের বাড়ি,  রঙ্গিয়া, হারানো মানিক, হুসনা, নীল আকাশ, কুন্ডী  বাঈ প্রভৃতি উপন্যাস রচনা করেন।
৫আখতারুজ্জামান ইলিয়াস১৯৪৩ সালে বগুড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।তিনি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। 
তাঁর উপন্যাস :চিলেকোঠার সেপাই, খোয়াাব নামা।
গল্প : দুধে ভাতে উৎপাত, দোজখের ওম, অন্য ঘরে অন্যস্বর
গ্রন্থ :সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু।

এছাড়া অন্যান্য কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে নাজিরুল ইসলাম, মোঃ সুফিয়ান, এ বিএম ফজলুর রহমান, এম এ হান্নান, রেজাউল করিম চৌধুরী, সুশীল চন্দ্র নিয়োগী, আমজাদ হোসেন, রিয়াজ উদ্দীন, কে,এম মিছের, আয়েন উদ্দীন কবিরত্ন, ধীরেন্দ্র নাথ ভৌমিক, মোস্তাফিজুর রহমান, মহসিন আলী খান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। 

৬। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বঃ

ক্রমিক নাম জন্ম ও জন্মস্থান অবদান
১ওস্তাদ আলা উদ্দীন সরকার১৯০৬ সালে বগুড়া জেলার বৃন্দাবন পাড়াতাঁর অনেক গান কলিকাতায় হিজ মাস্টারর্স ভয়েস ও মেগাফন কোম্পানীর দ্বারা রেকর্ড হয়। এছাড়াও  তার অভিনিত চিত্রগুলি সাপুড়ে, অভিনেত্রী, রজত  জয়ন্তি
২বেদার উদ্দীন আহম্মদবগুড়া জেলার শেরপুরতিনি রেডিও পাকিস্তানের একজন বিশিষ্ট বেতার শিল্পি ছিলেন।
৩আঞ্জুমানআরা বেগমবগুড়া শহরেতিনি অনেক বাংলা ও উর্দু ছায়াছবিতে প্লে ব্যাক করেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের একজন নিয়মিত  শিল্পী।
৪খুরশীদ আলমবগুড়াএকজন খ্যাতনামা গায়ক হিসেবে আধুনিক গান, রবীন্দ্র সংগীত এবং চলচিত্রের গান করেন।
৫আজিজুল জলিল (পাশা)১৯৩৩ সালে, বগুড়া শহরে বৃন্দাবন পাড়পূর্ব পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ চিত্র শিল্পী হিসেবে গণ্য করা হয়।

এছাড়া অন্যান্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে শিবেন্দ্রনাথ কুন্ডু, অনিল কুমার বিশ্বাস, রেজাউল মোস্তফা, মোঃ আসাফুদ্দৌলা, রওশনআরা মাসুদ, জেবুননেছা জামাল, খন্দকার ফারুক আহম্মেদ, শওকত হায়াত খান, মমতাজুর রহমান, গোলেনুর খান, রীণা সাঈদা, আবু মোহাম্মদ জহুরুল, আমিনুর রহমান, আছাদ আলী, কফিল উদ্দীন আহম্মদ, আওলাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, নুরুল ইসলাম বুলু, এএফএম সাইফুদ্দীন, সামছুদ্দীন আহম্মদ, তৌফিক হাসান ময়না প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

তথ্য সুত্রঃ journalisminstitutebd

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button