বাংলাদেশ
প্রধান খবর

ইউরোপে অবৈধ প্রবেশে বাংলাদেশিরা শীর্ষে, ভূমধ্যসাগরীয় পথে বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সীমান্তে চলতি বছর অনিয়মিত অভিবাসন কমলেও ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরে ১ হাজার ৮০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

শুধু আগস্ট মাসেই প্রায় ১০ হাজার ৭০০টি অনিয়মিত সীমান্ত পারাপারের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে, যা ২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় ৩৮ শতাংশ কম। তবে জুলাইয়ের শেষ দিকে মরক্কো থেকে স্পেনের সেউতা অঞ্চলে ব্যাপক মানুষের প্রবেশের ঘটনা এ পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

ইইউর সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্স জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় পথ ছিল সবচেয়ে ব্যস্ত অভিবাসনপথ। এ পথে ২৪ হাজার ২০০-এর বেশি সীমান্ত পারাপার শনাক্ত হয়েছে। আগস্টে এ পথে প্রায় ৩ হাজার প্রবেশের ঘটনা শনাক্ত হয়, যাদের মধ্যে আফগান, সুদানি ও বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।

মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথে প্রায় ১৯ হাজার ৪০০ জনের ইউরোপে প্রবেশ শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৫ শতাংশ কম। এ পথে শনাক্ত অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশি, সোমালি ও আলজেরীয় নাগরিকদের সংখ্যা ছিল বেশি।

অন্যদিকে, পশ্চিম ভূমধ্যসাগরীয় পথেই একমাত্র প্রবেশের ঘটনা বেড়েছে। এ পথে প্রায় ১৫ হাজার ৯০০টি অনিয়মিত সীমান্ত পারাপার শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩৪ শতাংশ বেশি।

পশ্চিম আফ্রিকান পথে প্রায় ৫ হাজার ১০০টি সীমান্ত পারাপার শনাক্ত হয়েছে। এ পথে সবচেয়ে বেশি, ৫৮ শতাংশ, পতন দেখা গেছে।

এ ছাড়া ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টাও ৪৩ শতাংশ কমে প্রথম আট মাসে প্রায় ২৬ হাজার ৬০০টিতে দাঁড়িয়েছে।

ফ্রন্টেক্স জানিয়েছে, ইইউর বহির্সীমান্তে বর্তমানে ৩ হাজার ৮০০ কর্মকর্তা মোতায়েন রয়েছেন। তারা ইউরোপের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সমুদ্রে মানুষের জীবন রক্ষায় জাতীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছেন।

তথ্যসূত্র: চ্যানেল ২৪

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button