
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা-তে গৃহবধূ হালিমা আক্তার (২২)-কে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতাররা হলেন বড় ভাটেরচর এলাকার আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আলামিন প্রধান (৫০)।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় হালিমা আক্তারকে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুন্সীগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা।
পিবিআই সূত্র জানায়, গত ২৯ মে গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদীর শাখা নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক তরুণীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের অবস্থা খারাপ থাকায় প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
নিহত হালিমা আক্তার উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামলদী গ্রামের মহসিন মিয়ার মেয়ে।
এ ঘটনায় নিহতের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে ৩০ মে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে পিবিআই।
জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামিরা জানিয়েছেন, হালিমার কাছে আবু কালামের প্রায় ২৫ হাজার টাকা এবং রাসেল মিয়ার ১০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এছাড়া জামাল হোসেনের সঙ্গে হালিমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি এলাকায় প্রকাশ পেলে সামাজিকভাবে বিব্রত হওয়ার আশঙ্কা থেকে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
তথ্যসূত্র: সময় নিউজ
