
নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া
বগুড়া জজ কোর্টের পাশে ঘোড়াপট্টি এলাকা। সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও জজ কোর্টের মাঝামাঝি সড়কের পাশেই অবস্থিত শহরের পরিচিত ঐতিহাসিক ঘোড়াটিকে ঘিরে চলছে ব্যস্ততা। চারপাশে চলছে সাজসজ্জা, রংয়ের কাজ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম।
ধুলোবালি মুছে নতুন রঙে রাঙানো হচ্ছে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের সেই ঐতিহাসিক ঘোড়াটিকে। শুধু ঘোড়াটিই নয়, তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো শহর যেন প্রস্তুতির মধ্যেই আছে।
জেলা কার্যালয়, আশপাশের সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সাজসজ্জার কাজ। কাজ করা মিস্ত্রিরা জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়ায় আসবেন—এই উপলক্ষেই দ্রুত সংস্কার কাজ শেষ করা হচ্ছে। তারা বলেন, “ঘরের ছেলে আসছে—এই আনন্দেই আমরা কাজ করছি, আজকের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০০ দশকের শুরুর দিকে এই ঘোড়াটি ছিল বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায়। পরবর্তীতে ২০০৫-০৬ সালের দিকে শহরের সড়ক সংস্কারের সময় ঘোড়ার স্থাপনাটি নতুনভাবে নির্মাণ করে জজ কোর্টের পাশের বর্তমান স্থানে স্থাপন করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে এই ঘোড়াটি এই স্থানে রয়েছে। নতুন করে আবারও সংস্কার করায় তারা উচ্ছ্বসিত। দীর্ঘ সময় পর নতুন আঙ্গিকে সাজানো হচ্ছে ঘোড়াটি। চারপাশে টিন দিয়ে ঘিরে একেবারে নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরেই এই বাড়তি আয়োজন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৯ সালে একবার ঘোড়াটির সংস্কার করা হয়েছিল।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তারেক রহমান বগুড়ায় আসছেন—এই খবরে শহরজুড়ে বাড়ছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। সেই সঙ্গে তৈরি হচ্ছে নানা প্রত্যাশাও। অনেক নগরবাসী বলছেন, গত ১৭ বছর ধরে উন্নয়ন ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই নগরের মানুষ এবার আর যেন বঞ্চিত না হয়—এটাই তাদের চাওয়া।
নগরবাসীর বিশ্বাস, তারেক রহমানের হাত ধরেই বগুড়ার রাজনীতিতে আসবে নতুন গতি এবং উন্নয়নের ধারায় আবারও এগিয়ে যাবে এই শহর।
দীর্ঘ ১৯ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঘরের ছেলে যখন ফিরছেন ঘরে, তখন তাকে বরণ করতে প্রস্তুত পুরো বগুড়া। উৎসাহ, আবেগ আর প্রত্যাশায় এখন মুখর এই জনপদ।



