
নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার ধুনটে অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে আলমগীর হোসেন (৪৫) নামে এক ভ্রাম্যমাণ আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
নিহত আলমগীর হোসেন ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, আলমগীর হোসেন প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে আইসক্রিম বিক্রির জন্য ধুনট উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় যান। আইসক্রিম বিক্রি শেষে দুপুরে মথুরাপুর বাজার থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানে করে ধুনট শহরের দিকে ফিরছিলেন।
অন্যদিকে, ধুনট শহর থেকে যাত্রীবাহী একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মথুরাপুরের দিকে যাচ্ছিল। দুপুর দেড়টার দিকে ধুনট-মথুরাপুর সড়কের বহালগাছা কারিগরি স্কুলের সামনে পৌঁছালে অটোরিকশা ও অটোভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে আলমগীর হোসেনসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আলমগীর হোসেনের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) পাঠানোর পরামর্শ দেন।
পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে আলমগীর হোসেনের মৃত্যু হয়।
নিহত আলমগীর হোসেন ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, আলমগীর হোসেন প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে আইসক্রিম বিক্রির জন্য ধুনট উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় যান। আইসক্রিম বিক্রি শেষে দুপুরে মথুরাপুর বাজার থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানে করে ধুনট শহরের দিকে ফিরছিলেন।
অন্যদিকে, ধুনট শহর থেকে যাত্রীবাহী একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মথুরাপুরের দিকে যাচ্ছিল। দুপুর দেড়টার দিকে ধুনট-মথুরাপুর সড়কের বহালগাছা কারিগরি স্কুলের সামনে পৌঁছালে অটোরিকশা ও অটোভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে আলমগীর হোসেনসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আলমগীর হোসেনের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) পাঠানোর পরামর্শ দেন।
পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে আলমগীর হোসেনের মৃত্যু হয়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আলমগীর হোসেন নিহতের ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।



