
বগুড়ার শেরপুরে একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ রাসায়নিক ঘনচিনি ও রং ব্যবহারের অভিযোগে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করা বিপুল পরিমাণ আইসক্রিম জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত শেরপুর উপজেলার বাগড়া কলোনি, কুসুম্বি এলাকায় অবস্থিত ‘প্রিন্স সুপার আইসক্রিম’ কারখানায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানে কারখানাটিতে আইসক্রিম তৈরিতে খাদ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ রাসায়নিক ঘনচিনি সোডিয়াম সাইক্লামেট ও নিষিদ্ধ রাসায়নিক রং ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিমের কোন কাপ তৈরি এবং নিবন্ধন ছাড়াই শিশুখাদ্য হিসেবে আইসক্রিম উৎপাদন করতে দেখা যায়।
অভিযানকালে কারখানার ফ্রিজে নিষিদ্ধ রাসায়নিক রং ও ঘনচিনি দিয়ে তৈরি বিপুল পরিমাণ আইসক্রিমও পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ করে বিধি অনুযায়ী জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৯ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে কারখানাটির স্বত্বাধিকারী মো. শিহাব উদ্দিনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। পরে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
অভিযানে বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল, শেরপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তাহমিনা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।
অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে খাদ্য উৎপাদনে সরকারের আইন ও বিধি মেনে চলার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


