
বগুড়ার গাবতলীতে ভাসুরের লাঠির আঘাতে পালিত একটি মুরগি আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার বিচার ও আহত মুরগিটির চিকিৎসার দাবিতে মুরগিটিকে সঙ্গে নিয়ে থানায় হাজির হয়েছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গৃহবধূর নাম শম্পা রানী। তিনি গাবতলী উপজেলার ধনঞ্জয় গ্রামের বাসিন্দা।
শম্পা রানীর অভিযোগ, তাঁর পালিত ডিমপাড়া একটি মুরগির মাথায় তাঁর ভাসুর, অর্থাৎ স্বামীর বড় ভাই, লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে মুরগিটি গুরুতর আহত হয় এবং এর নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
কেন মুরগিটিকে আঘাত করা হয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁর ভাসুর উল্টো মুরগিটিকে জবাই করে ফেলার কথা বলেন বলে অভিযোগ করেন শম্পা রানী।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত হয়ে আহত মুরগিটির চিকিৎসা এবং ঘটনার বিচার চেয়ে তিনি মুরগিটিকে সঙ্গে নিয়ে গাবতলী মডেল থানায় যান।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শম্পা রানী আহত মুরগিটিকে নিয়ে থানায় এসে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন।
ওসি আরও বলেন, মুরগিটির দ্রুত চিকিৎসার জন্য তাঁকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।



