বগুড়া জেলাশাজাহানপুর উপজেলা
প্রধান খবর

বগুড়ায় স্লিপার বাসে ১০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার শাজাহানপুরে কক্সবাজার থেকে দিনাজপুরগামী একটি এসি স্লিপার বাসে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো: বিপ্লব ইসলাম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পাশে মো: ইউসুফের বাড়ির সামনে এ অভিযান চালনো হয়।

বগুড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহা: জিললুর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন।

ডিএনসি জানিয়েছে, গ্রেফতার বিপ্লব ইসলাম কক্সবাজার থেকে দিনাজপুরগামী এভারগ্রীন ট্রাভেলসের একটি এসি স্লিপার কোচের ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাসটি ওই এলাকায় পৌঁছালে অভিযানিক দল সংকেত দিয়ে থামায়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বিধি অনুযায়ী বাসের ওই আসনে বসা যাত্রী বিপ্লব ইসলামকে আটক করে তল্লাশি করা হয়।

তল্লাশির একপর্যায়ে তাঁর দেখানো মতে, আসনের ওপরের বাম পাশে এসির নক কভারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ইয়াবার চালান উদ্ধার করা হয়। কালো স্কচটেপে মোড়ানো দুটি পোটলার মধ্যে একটি পোটলায় নীল রঙের জিপারযুক্ত পলিপ্যাকেটে মোট ২৫টি প্যাকেট পাওয়া যায়। এসব প্যাকেটে কমলা বর্ণের অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ১০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল।

এ সময় মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি সিমকার্ডসহ অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই বিপ্লব ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিএনসি আরও জানায়, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে আসছিল বলে তাদের কাছে তথ্য ছিল। চক্রটি বিভিন্ন কৌশলে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছিল। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বেশ কিছুদিন ধরে চক্রটির কার্যক্রম ও সদস্যদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।

সর্বশেষ কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বগুড়ার দিকে সরবরাহ করা হবে এমন তথ্য পাওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বগুড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহা: জিললুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার বিপ্লব ইসলামের কাছ থেকে চক্রের অন্য সদস্য ও মূল হোতাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি। এসব তথ্য যাচাই করে অনুসন্ধান চালানো হবে। চক্রের অন্য সদস্যদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে যেকোনো সময় অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।

গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button