
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনের নির্বাচনে আজ সোমবার থেকে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ করতে হবে।
রোববার (১৫ মার্চ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ আসনের সাধারণ নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীক এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। এছাড়া বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর এক প্রার্থী কাঁচি প্রতীক পেয়েছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পরে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জানান, এ আসনের উপ-নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি থেকে মো. রেজাউল করিম বাদশা ধানের শীষ প্রতীক এবং জামায়াতে ইসলামী থেকে মো. আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির এক প্রার্থী ফুলকপি প্রতীক পেয়েছেন।
তিনি বলেন, এ আসনে নির্বাচনের পরিবেশ ভালো রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ী হন। তবে সংবিধান অনুযায়ী একই সঙ্গে দুটি আসনের সংসদ সদস্য থাকা সম্ভব না হওয়ায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ফলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
সূত্র: একাত্তর টিভি



