
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। এতদিন সাধারণত অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেটারদের নিয়েই এইচপি দল গঠন করা হলেও এখন থেকে আর কোনো বয়সসীমা থাকছে না।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, তরুণ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি জাতীয় দলের বাইরে চলে যাওয়া, চোট থেকে পুনর্বাসনে থাকা কিংবা ভালো পারফরম্যান্স করেও জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া ক্রিকেটাররাও এইচপির অংশ হবেন।
এর আগে ২০২১ সালে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে আলাদা করে ‘বাংলাদেশ টাইগার্স’ দল গঠন করেছিল বিসিবি। এখন থেকে এইচপি ও টাইগার্স কার্যক্রম একত্রিত করা হবে। পাশাপাশি পুরো বছরজুড়ে এইচপির কার্যক্রম চালু রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে বিসিবির।
বর্তমান জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন জুন থেকে এইচপির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব শুরু করবেন।
জাতীয় দলে তিন সংস্করণে তিন অধিনায়কের মধ্যে সমন্বয় তৈরি এবং খেলোয়াড়দের একসূত্রে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। দেশের অধিকাংশ ক্রিকেটারের কাছেই তিনি দীর্ঘদিনের ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত।
বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল মূলত একটি শক্তিশালী ‘এক্সিলেন্সি সেন্টার’ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই সালাহ উদ্দীনকে এইচপির দায়িত্ব দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এইচপির কোচিং স্টাফে আরও যুক্ত হচ্ছেন সাবেক বাঁহাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাক। এছাড়া স্থানীয় কোচ হিসেবে থাকবেন সোহেল ইসলাম, রাজিন সালেহ ও তালহা জুবায়ের।
তবে এইচপির মতো তরুণ ক্রিকেটার তৈরির প্ল্যাটফর্মে বয়সসীমা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের মতে, অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের বেশি সুযোগ দেওয়া হলে তরুণদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
নতুন কাঠামোর এইচপি ইউনিটের প্রথম সিরিজ হবে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে।
তিনটি ওয়ানডে ও দুটি চার দিনের ম্যাচ খেলতে আগামী ৩ জুন বাংলাদেশে আসবে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল।
- ৮ ও ১০ জুন প্রথম দুটি ওয়ানডে হবে বগুড়ায়
- ১৩ জুন শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহীতে
- দুটি চার দিনের ম্যাচ হবে সিলেটে
- প্রথম চার দিনের ম্যাচ শুরু হবে ১৭ জুন
এদিকে, সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মেন্টর করার খবর ছড়ালেও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি বিসিবি।
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা