
সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিন ব্যাট হাতে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম সেশনে ২৯ ওভারে ১১৭ রান তুললেও ৪ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা। লাঞ্চ বিরতিতে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৭ উইকেটে ২০৫ রান।
তবে সব প্রতিকূলতা সামলে দুর্দান্ত লড়াই করেছেন তাওহীদ হৃদয়। অসাধারণ ধৈর্য ও মানসিক দৃঢ়তায় টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। লাঞ্চ বিরতিতে ১০০ রানে অপরাজিত রয়েছেন হৃদয়। অন্য প্রান্তে ১ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন তাইজুল ইসলাম।
এরপরও বাংলাদেশের অবস্থান বেশ নাজুক। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে এখনো ১৫১ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা। চোটের কারণে সাদমান ইসলামের আর ব্যাট করতে নামার সম্ভাবনা কম। ফলে কার্যত বাংলাদেশের ৮ উইকেটের পতন ঘটেছে।
আগের দিন ৮৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় দিনের সকালে ব্যাটিংয়ে নেমেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। ৭৬ বলে ৩৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।
আগের দিন অপরাজিত থাকা তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই ব্যাট করছিলেন মুশফিক। তবে জেইডেন সিলসের ফাঁদে পা দিয়ে অফ স্টাম্পের বাইরের ফুল লেংথের বলে ব্যাট ছোঁয়ান তিনি। বল চলে যায় কাভার অঞ্চলে। সামনে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন রোস্টন চেজ।
এর কিছুক্ষণ পরই লিটন দাসকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের বিপদ আরও বাড়ান ক্যারিবীয় স্পিনার ওয়ারিকান। মাত্র ৭ বলে ৮ রান করে আউট হন লিটন। ধীরগতির বলের ফাঁদে ফেলে তাঁকে আক্রমণাত্মক শট খেলতে প্রলুব্ধ করেন ওয়ারিকান। সহজেই ক্যাচ নেন ব্র্যান্ডন কিং।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ১৬ রান করে বিদায় নেন। দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন হাসান মাহমুদও। তাঁর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন জোমেল ওয়ারিকান। একদিকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ, অন্যদিকে তাওহীদ হৃদয়ের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিই এখন স্বাগতিকদের লড়াইয়ের প্রধান ভরসা।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন



