আদমদিঘী উপজেলাবগুড়া জেলা
প্রধান খবর

বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে আদমদীঘি থানায় পুলিশের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখব চারপাশ, ডেঙ্গুমুক্ত দেশ সবার অঙ্গীকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার আদমদীঘি থানায় ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আদমদীঘি থানা চত্বরে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে থানা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ, মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস এবং অপরিচ্ছন্ন স্থান পরিষ্কার করা হয়।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডেঙ্গু বিস্তার রোধে এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংসের পাশাপাশি থানা চত্বরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পাত্র, পরিত্যক্ত সামগ্রী ও যেসব স্থানে পানি জমে মশার বংশবিস্তার হতে পারে, সেসব স্থান পরিষ্কার করা হয়।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আদমদীঘি থানার উপপরিদর্শক (এসআই), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও কনস্টেবলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন। তাঁরা থানা চত্বরের বিভিন্ন অংশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।

বগুড়ার আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে থানার পক্ষ থেকে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

তিনি বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও অংশগ্রহণও প্রয়োজন। তাই নিজ নিজ বসতবাড়ি ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, বর্ষা ও বৃষ্টির পর বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় মশার প্রজননের সুযোগ তৈরি হয়। এসব স্থান দ্রুত পরিষ্কার করা গেলে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

আদমদীঘি থানা পুলিশ জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম শুধু একদিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিতভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button