প্রধান খবরবগুড়া জেলা

মোঃ আলী ও শজিমেক হাসপাতালে ২০টি ন্যাজাল ক্যানোলা দিল এস আলম গ্রুপ

বগুড়ায় অক্সিজেন সরবরাহ সংকট নিরসনে
মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল এবং শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ হাসপাতালে ২০ সেট হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা
উপহার দিলো এস আলম গ্রুপ।

হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা সংকটে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করতে না পারায় বগুড়ার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের সাতজন এবং শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চারজন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমন খবর জাতীয় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট এবং অনলাইন মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করায় বিষয়টি নজর কেড়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এস আলম নামে একটি গ্রুপের।
এস আলম গ্রুপের কর্মকর্তাগণ আজ শনিবার সকালে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ সেট এবং বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ১০ সেট মোট ২০ সেট হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা ও আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র বগুড়া জেলা প্রশাসকের নিকট প্রদান করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বগুড়ার জেলা প্রশাসক মোঃ জিয়াউল হক, সিভিল সার্জন ডা. গাওসুল আজিম চৌধুরী, বগুড়া পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) বগুড়া জেলা শাখার সহ-সভাপতি ডা. আব্দুল হাকিম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ বগুড়ার সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশু এবং মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শফিক আমিন কাজল প্রমুখ।

এস আলম গ্রুপের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের বগুড়া জোনাল হেড আব্দুস সোবাহান, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সভাপতি মোঃ সলিমুল্লাহ।

বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এটিএম নুরুজ্জামান সঞ্চয় সংকটময় মুহুর্তে ১০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা উপহার হিসেবে প্রদান করায় ‘এস আলম গ্রুপ’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, সরঞ্জামগুলো সংকটাপন্ন রোগীদের জীবন রক্ষায় সহায়ক হবে। সরঞ্জামগুলো শনিবারের মধ্যেই সংযোজনের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এগুলো চালু করার জন্য প্রকৌশলীরা কাজ শুরু করেছেন। নতুন ১০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সংযোজন করা গেলে হাসপাতালের আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) ইউনিটটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। কারণ ওই আইসিইউ ইউনিটটি ৮ শয্যার হলেও সেখানে এর আগে মাত্র ২টি ন্যাজাল ক্যানোলা ছিল। যে কারণে অন্য রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী উচ্চ মাত্রার অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল প্রধান ডা. এটিএম নুরুজ্জামান সঞ্চয় বলেন, এই হাসপাতালের জন্য কেন্দ্রীয় ঔষাধাগারে আরও ১০টি ন্যাজাল ক্যানোলা চাওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এ সপ্তাহের মধ্যেই সেগুলো পৌঁছে যাবে। তখন মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসার সক্ষমতা আরও বাড়বে।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button