শিক্ষা
প্রধান খবর

১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এসএসসি পাসের হার

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হার নেমে এসেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। অর্থাৎ ২০০৭ সালের পর এবারই মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে।

গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট। ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছিল।

এবারের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। ফলে এক বছরের ব্যবধানে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

১১ বোর্ডে পাস ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।

এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

এবারও পাসের হার ও জিপিএ-৫-দুই দিক থেকেই এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।

ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

এবার ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন।

অন্যদিকে ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে। এবার পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র।

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।

তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের দীর্ঘদিনের রেওয়াজ থাকলেও এবার তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ফল প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button