
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় ঋণ খেলাপির তথ্য গোপন করা গুরুতর আইনি অপরাধ।
মনোনয়ন যাচাইয়ের সময়
নির্বাচনের আগে যাচাই-বাছাই (Scrutiny) পর্যায়ে যদি প্রার্থীর হলফনামায় তথ্য গোপন বা ভুল তথ্য দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে রিটার্নিং কর্মকর্তা সরাসরি মনোনয়নপত্র বাতিল করতে পারেন।
নির্বাচন শেষে প্রমাণ মিললে
নির্বাচনের পর যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো প্রার্থী ঋণ খেলাপি থাকা সত্ত্বেও তথ্য গোপন করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাহলে
নির্বাচন কমিশন ওই প্রার্থীর সংসদ সদস্য পদ বা প্রার্থিতা বাতিল করতে পারে।
আরপিও অনুযায়ী শাস্তি
প্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) অনুযায়ী-
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অমান্য
হলফনামায় ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রদান
এসব অপরাধে ২০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করা হতে পারে।
ফৌজদারি মামলার ঝুঁকি
হলফনামায় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হলে তা দণ্ডবিধি অনুযায়ী প্রতারণা হিসেবে গণ্য হতে পারে।
এর ফলে আলাদা ফৌজদারি মামলা দায়েরের সুযোগ রয়েছে।
ব্যাংক কর্মকর্তাদের দায়
যদি কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রার্থীর ঋণ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেন বা ভুল তথ্য দেন, তাহলে-
- সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা জরিমানা
- বরখাস্ত
- অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
হলফনামায় তথ্য গোপন শুধু নির্বাচনী অনিয়ম নয়- এটি মনোনয়ন বাতিল, এমপি পদ হারানো এবং ফৌজদারি মামলার ঝুঁকিসহ গুরুতর অপরাধ।



