চট্টগ্রাম বন্দরে পাঁচ জাহাজে আসছে ১.৩৩ লাখ টন ডিজেল, ৩২ হাজার টন জেট ফুয়েল

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে আরও ১ লাখ ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং ৩২ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে পাঁচটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এসব জাহাজ বন্দরে ভিড়বে। আমদানিকৃত এই ডিজেল দিয়ে দেশের প্রায় ১১ দিনের এবং জেট ফুয়েল দিয়ে ২১ দিনেরও বেশি সময়ের জাতীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
শিপিং ডাটা অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা প্রায় ১২ হাজার ৫০০ টন এবং জেট ফুয়েলের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ৫০০ টন। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে জাহাজগুলোর আগমন শুরু হবে। ওইদিন তিনটি জাহাজ বন্দরে ভিড়বে এবং বাকি দুটি যথাক্রমে ২১ ও ২৩ এপ্রিল পৌঁছাবে। এসব জাহাজের স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে ‘প্রাইড শিপিং’।
২০ এপ্রিল রাত ২টায় ওমান থেকে ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে ‘গোল্ডেন হরাইজন’। একই দিন বেলা ১১টায় মালয়েশিয়া থেকে ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আসবে ‘এফপিএমসি ৩০’। এছাড়া বিকেল ৩টায় ভারত থেকে আরও ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে পৌঁছাবে ‘প্যাসিফিক ইনডিগো’।
পরদিন ২১ এপ্রিল দুপুরে মালয়েশিয়া থেকে ৩২ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আসবে ‘হাফনিয়া চিতা’। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩২ হাজার টন জেট এ-১ ফুয়েল (উড়োজাহাজের জ্বালানি) নিয়ে নোঙর করবে ‘ক্সিং তং ৭৯৯’।
শিপিং শিডিউল নিশ্চিত করে প্রাইড শিপিংয়ের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বলেন, সবকটি জাহাজ ইতোমধ্যে নিজ নিজ লোড পোর্ট থেকে রওনা দিয়েছে। বড় ধরনের কোনো বিঘ্ন না ঘটলে নির্ধারিত সম্ভাব্য সময় অনুযায়ী জাহাজগুলো বন্দরে পৌঁছাবে।
এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ১ লাখ ৩৬ হাজার টন ডিজেল ও অকটেন নিয়ে চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। ওই চালানে ছিল ১ লাখ ৯ হাজার টন ডিজেল, যা প্রায় ৯ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। এছাড়া ২৭ হাজার টন অকটেন ছিল, যা দিয়ে প্রায় ২২ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। বর্তমানে দেশে দৈনিক অকটেনের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ২০০ টন।
তথ্যসূত্র: টিবিএস নিউজ



