এখনও জমি খারিজ করেননি? আপনার জন্য ৩ সুখবর

ছবি: সংগৃহীত
ভূমি নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ করতে তিনটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়। নতুন নির্দেশনায় মূল লক্ষ্য—জমির প্রকৃত মালিক যেন হয়রানির শিকার না হন এবং দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের সুযোগ না পান।
১. সাধারণ নামজারির নতুন নির্দেশনা
নতুন মালিকদের জন্য নামজারি প্রক্রিয়ায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এসেছে। আবেদন খারিজ হবে না যদি নথি পূর্ণ থাকে। আবশ্যক নথি হলো: দলিলের মূল কপি, বায়া দলিল বা পূর্ব মালিকের প্রমাণ, খাজনা রশিদ, বর্তমান নকশা ও ম্যাপ, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি, এবং পূর্ব মালিকের পরিচয়পত্র ও ছবি। কোনো ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগসহ আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
২. ওয়ারিশান সম্পত্তিতে যৌথ খতিয়ান
ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগবণ্টন না হলে সকলের নামে যৌথ খতিয়ান তৈরি হবে। প্রয়োজনীয় নথি হলো ওয়ারিশান সনদ, পূর্ব মালিকানার দলিল ও খাজনা রশিদ। কেউ যদি আলাদাভাবে নিজের নামে খতিয়ান চান, তাদের বৈধ দলিল দেখাতে হবে।
৩. অটোমেশন পদ্ধতিতে দ্রুত নামজারি
ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় চালু করেছে অটোমেশন পদ্ধতি। প্রাথমিকভাবে ২১টি উপজেলায় এই সেবা শুরু হয়েছে এবং ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ দেশের সব ভূমি অফিসে কার্যকর হবে। এই সিস্টেমে দলিল রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা যাচাই, খতিয়ান সংশোধন এবং অনলাইন সংযুক্তি এক ক্লিকেই সম্পন্ন হবে। প্রতিটি মালিকের জন্য থাকবে ওয়েব প্রোফাইল ও কিউআর কোড।
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই তিনটি পদক্ষেপের ফলে নামজারি হবে ঝামেলাহীন, দ্রুত ও স্বচ্ছ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ ভূমি অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে আনবে।
সূত্র: জনকন্ঠ



