ইউরোপের দেশগুলোতে বাড়তে শুরু করেছে করোনা

শীত শুরু হতেই ইউরোপের দেশগুলোতে বাড়তে শুরু করেছে করোনার সংক্রমণ। আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার দুই-ই বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে।
এদিকে, ইউরোপে করোনা বেড়ে যাওয়া উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এক সপ্তাহেই ইউরোপে করোনার বিস্তার পাঁচ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
২০ লাখের বেশি মানুষের শরীরে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে সংক্রমণ। জার্মানি, গ্রিস, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়াসহ ইউরোপের বেশ কিছু দেশে প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় নেয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ। সংক্রমণ রোধে সোমবার থেকে ২০ দিনের লকডাউন শুরু হচ্ছে অস্ট্রিয়ায়। জার্মানিতে গত দুই সপ্তাহে করোনা শনাক্ত বেড়েছে ৬০ শতাংশ। নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, গ্রিস ও আয়ারল্যান্ডকে ‘উচ্চ ঝুঁকির’ দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ডে জনগণকে বাসায় থেকে অফিস করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গ্রিসে টিকা না নিলে কর্মক্ষেত্র, বিনোদন কেন্দ্র এবং যানবাহনে প্রবেশে দেয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ কোটি ৭১ লাখ ৩০ হাজার ৫০১ জন। সারা বিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২৩ কোটি ২১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯১ জন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনার সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন সময় করোনার সংক্রমণ কমবেশি হয়েছে। তবে চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে করোনার ডেল্টা ধরনের দাপটে সারা বিশ্বে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে।
এর আগে, একই বছরের ২০শে জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। গত আগস্টের প্রথম দিকে করোনার গণটিকা দেওয়া শুরু হয়। এরপর সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয়ই কমতে শুরু করে।
