বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা

মাসুম হোসেন: নির্ধারিত ফি দিয়ে বগুড়ার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে এখন বিকেলেও চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্যশিক্ষা উন্নত করতে ওই হাসপাতালে শুরু হয়েছে বৈকালিক প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। এর মাধ্যমে জনগণের দৌরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। অল্প খরচে সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসকের কাছে ব্যক্তিগতভাবে শরণাপন্ন হতে পারছেন রোগীরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই থেকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত সেখানে রোগী দেখা হয়। সপ্তাহে ২৩ জন চিকিৎসক নিয়মিত রোগী দেখছেন। তবে শুক্রবারসহ সরকারি ছুটির দিন এই সেবা বন্ধ থাকে। বর্তমানে দিনে ১০০-১৫০ জন রোগী বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসছেন। দিন দিন রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ছে।
বৈকালিক এই স্বাস্থসেবায় চিকিৎসক ভেদে ভিজিটের পার্থক্য রয়েছে। সিনিয়র কনসালটেন্টকে দেখাতে হলে দিতে হয় ৪০০ টাকা, জুনিয়র কনসালটেন্ট বা পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রীধারীর ভিজিট ৩০০, আর এমবিবিএস ও বিডিএসের ফি ২০০ টাকা।
গতকাল সোমবার বিকেলে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে গিয়ে কথা হয় বগুড়ার জলেশ্বরীতলা এলাকার বাসিন্দা মুশফিকা তাবাসসুমের সঙ্গে।
তিনি জানান, তার শ্বাশুরিকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে এসেছেন। আজই প্রথম এ স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসেন। চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বারে গেলে ৭০০ টাকা ফি দিতে হয়। আর এখানে ৩০০ টাকাতেই একই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বগুড়া সদরের জামিলনগরের বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, তিনি তার খালাকে নিয়ে এসেছেন। কম ভিজিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে ব্যক্তিগতভাবে রোগী দেখানোর সুযোগ পেয়ে অনেক খুশি তিনি।
জানতে চাইলে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজল বলেন, বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে দিন দিন রোগীদের ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।