লাইফস্টাইল
প্রধান খবর

বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি কেন এত জনপ্রিয়, জানুন এর পুষ্টিগুণ

বৃষ্টি এলেই কেন খিচুড়ি খেতে মন চায়, সে এক রহস্য। বাইরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আর খাবার টেবিলে ধোঁয়া ওঠা গরম খিচুড়ি-সঙ্গে ডিম ভাজা, বেগুন ভাজা ও আচার। আয়োজন একটু বড় হলে থাকে মাছ বা মাংসের কোনো পদও। বৃষ্টির দিনে এমন খাবারের আয়োজন বাংলাদেশে বেশ পরিচিত।

তবে বৃষ্টি এলেই খিচুড়ি খাওয়ার এই অভ্যাস কি শরীরের জন্য উপকারী? খিচুড়ির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা জেনে নেওয়া যাক।

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ

খিচুড়ি কেবল রোগীর পথ্য বা শিশুর খাবার নয়, এতে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমন্বয় রয়েছে। খিচুড়ি খেলে শরীরে শর্করা, প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও পটাসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।

খিচুড়ি রান্নার সময় বিভিন্ন ধরনের সবজি যোগ করলে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ দুটিই বাড়ে। পাশাপাশি সবজি হজমেও সহায়ক। তাই বৃষ্টির দিনে সবজি দিয়ে তৈরি খিচুড়ি হতে পারে পুষ্টিকর একটি খাবার।

শিশু ও বয়স্কদের জন্য উপযোগী

শিশু ও বয়স্কদের খাবারের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হয়। কারণ অনেক খাবারই তাদের সহজে সহ্য হয় না। এ ক্ষেত্রে নরম ও সহজে হজমযোগ্য খাবার হিসেবে খিচুড়ি উপযোগী হতে পারে।

খিচুড়ি নরম হওয়ায় সহজেই খাওয়া যায়। চাইলে এটি একটু পাতলা করেও রান্না করা যায়। তবে শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তির জন্য খিচুড়ি রান্নার সময় অতিরিক্ত তেল-মসলা ব্যবহার না করাই ভালো। অল্প মসলা দিয়ে রান্না করলে তা সহজপাচ্য হতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক

খিচুড়ি এমন একটি খাবার, যার সঙ্গে বাড়তি কিছু না খেলেও চলে। এক থালা খিচুড়িতে শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যেতে পারে।

এটি শরীরকে শীতল রাখতে, পরিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক বলে উল্লেখ করা হয়। তবে বাইরে থেকে কিনে খাওয়ার পরিবর্তে বাড়িতে তৈরি খিচুড়ি খাওয়াই ভালো। এতে খাবারের উপকরণ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়।

গ্লুটেনমুক্ত খাবার হিসেবে খিচুড়ি

অনেকে গ্লুটেনমুক্ত খাবার পছন্দ করেন। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্লুটেনযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে চাল ও ডাল দিয়ে তৈরি খিচুড়ি খাবারের তালিকায় রাখা যেতে পারে।

তবে খিচুড়িতে ব্যবহৃত সব উপকরণ গ্লুটেনমুক্ত কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। বিশেষ করে প্যাকেটজাত মসলা বা অন্যান্য উপকরণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে উপাদানের তালিকা দেখে নেওয়া উচিত।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button