
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আশা প্রকাশ করেছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।
সোমবার (৭ জুলাই) সকালে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই পারে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে। ছাত্র-জনতার আন্দোলন, বিশেষ করে জুলাইয়ের রক্তাক্ত ছাত্র গণঅভ্যুত্থান আমাদের যে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, “বর্তমানে বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা রয়েছে এবং দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।”
সফরের অংশ হিসেবে দুপুরে পাঠানটুলার সানরাইজ কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেন মির্জা ফখরুল।
বিকেলে সিলেটের হোটেল স্টার প্যাসিফিকে আয়োজিত বিশেষ স্মরণ ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। সেখানে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে নিহত সিলেট জেলার শহিদদের পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মির্জা ফখরুল।
এ সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ইকবাল মাহমুদ টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, নিপুণ রায় চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা, যাদের মধ্যে ছিলেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এনামুল হক চৌধুরী, আরিফুল হক চৌধুরী, জি.কে. গউছ, মিফতাহ সিদ্দিকী, আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।


