
মাত্র ১১২ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রীতিমতো ঘাম ঝরাতে হয় সিলেট স্ট্রাইকার্স-এর ব্যাটারদের। ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি। এরপর আরিফুল ইসলাম ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ৪৪ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ কঠিন করে তোলে সিলেট।
সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে ৫৩ বলে ৫০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও স্যাম বিলিংস। তবে শেষ দিকে আবারও চাপে পড়ে সিলেট।
শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল মাত্র ১৫ রান। দুর্দান্ত বোলিংয়ে মোস্তাফিজুর রহমান ও ফাহিম আশরাফ রংপুরকে জয়ের স্বপ্ন দেখান। শেষ বলে সিলেটের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রান-আর সেই বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ক্রিস ওকস রংপুরকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে দেন।
রংপুরের ব্যাটিং ব্যর্থতা
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুটা ধরে রাখতে পারেনি রংপুর রাইডার্স। মাত্র ২৯ রান তুলতেই টপ অর্ডারের চার ব্যাটারকে হারায় দলটি।
শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহর ২৬ বলে ৩৩ রান এবং খুশদিল শাহর ১৯ বলে ৩০ রানের ওপর ভর করে কোনোমতে একশ’ পার করে রংপুর।
ধুঁকতে ধুঁকতে লক্ষ্যে পৌঁছায় সিলেট
জবাব দিতে নেমে সিলেটের শুরুটাও ভালো হয়নি। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তৌফিক খানের উইকেট হারায় তারা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ২৯ বলে ৩৬ রান যোগ করেন আরিফুল ইসলাম ও পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ বলে ১৮ রান করা ইমনকে নুরুল হাসান সোহানের ক্যাচ বানান আলিস আল ইসলাম।
পরের ওভারেই ১৮ বলে ১৭ রান করা আরিফুল ইসলামকে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরান নাহিদ রানা। এরপর আফিফ হোসেনের উইকেট তুলে নেন আলিস। ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তখন বড় চাপে পড়ে যায় সিলেট।
তবে পঞ্চম উইকেটে বিলিংসকে সঙ্গে নিয়ে ৫৪ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে জয়ের আভাস দেন মিরাজ। দলীয় ৯৪ রানে মিরাজকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন খুশদিল শাহ। ডাউন দ্য উইকেটে মারতে গিয়ে স্টাম্পড আউট হওয়ার আগে মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ২৩ বলে ১৮ রান।
শেষ পর্যন্ত ক্রিস ওকসের এক ছক্কায় রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জয় নিশ্চিত করে সিলেট স্ট্রাইকার্স।
তথ্যসূত্র: সময় টিভি



