
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ আর রিয়াল মাদ্রিদ যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইউরোপের এই প্রতিযোগিতায় দলটি বরাবরই বিশেষভাবে সফল। শেষ সাত মিনিটের নাটকীয়তায় দুর্দান্ত কামব্যাক করে রোমার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে আরও একবার তার প্রমাণ দিল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। অন্যদিকে, ইতিহাদ স্টেডিয়ামে থেমেছে ম্যানচেস্টার সিটির জয়রথ। সিটিজেনদের হারিয়েছে পিএসজি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে মাঠে গড়ায় চ্যাম্পিয়নস লিগের এবারের মৌসুমের বেশ কয়েকটি ম্যাচ।
রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে তখন স্বাগতিকদের জয়ের উৎসব। ম্যাচের ৮২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-১। রিয়াল মাদ্রিদের হার তখন সময়ের ব্যাপার বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু এরপরই শুরু হয় নাটকীয়তা।
ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে কার্লোস এসপির গোলে ব্যবধান কমায় রিয়াল। এরপর আরদা গুলেরের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তরুণ এনদ্রিক। তাতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-৩।
রোমার গ্যালারিতে তখন পিনপতন নীরবতা। নাটকের শেষ দৃশ্য অবশ্য তখনো বাকি। ম্যাচের ৯০তম মিনিটে গুলেরের সেট পিস থেকে গোল করেন আন্তোনিও রুডিগার। মাত্র সাত মিনিটে তিন গোল করে ৩-১ ব্যবধান থেকে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় রিয়াল। মুহূর্তেই রোমার জয়ের উৎসব বদলে যায় রিয়ালের উল্লাসে।
অন্যদিকে, ইতিহাদ স্টেডিয়ামেও দেখা যায় আরেক নাটকীয় লড়াই। মৌসুমের শুরুতে টানা আট জয়ের ধারায় থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সামনে এবার কঠিন পরীক্ষা। কারণ, প্রতিপক্ষ যে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। ম্যাচটি যে একপেশে হবে না, তার ইঙ্গিতও ছিল আগে থেকেই।

ম্যাচের ১৩ মিনিটে দুয়ের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। দুই মিনিট পর দুয়ের ক্রস থেকে উসমান দেম্বেলের হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করে প্যারিসের ক্লাবটি। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-০। এরপর ৩২ মিনিটে ভিতিনিয়ার গোলে ব্যবধান ৩-০ করে পিএসজি। প্রথমার্ধেই কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ম্যানচেস্টার সিটির রক্ষণ।
বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সিটি। আর্লিং হালান্ডের গোলে ব্যবধান কমে ৩-১। তবে ৬২ মিনিটে আকালিউশের গোলে আবারও বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। পরে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান কমান হালান্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ম্যাচে আর ফেরা হয়নি সিটির। উড়তে থাকা ম্যানচেস্টার সিটিকে থামিয়ে ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।
তথ্যসূত্র: যমুনা টিভি



