শীত আরও বাড়বে নাকি বিদায় নিচ্ছে? আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে কনকনে ঠান্ডা, শীত বিদায়ে সময় লাগবে

দেশজুড়ে আপাতত কোনো শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও শীতের দাপট কমেনি। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বহু জেলায় এখনো কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে আগামী কয়েক দিনে শীতের তীব্রতা কখনো কিছুটা বাড়বে, কখনো কমবে-মোটের ওপর তাপমাত্রায় থাকবে ওঠানামা বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী পাঁচ দিন সারা দেশের আবহাওয়া সামগ্রিকভাবে শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে এবং শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তাপমাত্রার পূর্বাভাস
পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববারের মধ্যে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সেদিনও আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে এবং ভোরের দিকে কোথাও কোথাও কুয়াশা দেখা যেতে পারে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নদী অববাহিকা এলাকার কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে কুয়াশা থাকবে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার। এদিনও সারাদেশে তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দক্ষিণাঞ্চলে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে দেশের অন্যান্য এলাকায় তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। এর পরদিন বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা আবারও সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
শীত বিদায়ে সময় লাগবে
বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার চিত্রে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ শীত বিদায় নিতে এখনও সময় লাগতে পারে।
আবহাওয়াবিদরা জানান, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
এদিকে আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে **তেঁতুলিয়া**তে-৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে উত্তরাঞ্চলে শীতের অনুভূতি আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।
তথ্যসূত্র: জনকণ্ঠ


