
প্রতিবেদক: সিজান ইসলাম
দেখতে অনেকটা তন্দুর রুটির মতো হলেও নাম ভিন্ন- খবুজ। তুরস্কের ঐতিহ্যবাহী এই খাবারটি এখন বগুড়ার খাবারপ্রেমীদের কাছে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। ছোট আকৃতির, নরম তুলতুলে এই খবুজ স্বাদে যেমন আলাদা, তেমনি দামেও সাশ্রয়ী।
সম্প্রতি বগুড়ায় নতুন করে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এই ভিন্নধর্মী তুর্কি খাবার। নতুন স্বাদের টানে প্রতিদিনই দোকানে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
খবুজ তৈরি করতে প্রয়োজন সময় ও কারিগরি দক্ষতা। একসঙ্গে ৪ থেকে ৫ জন দক্ষ কারিগর এই কাজ করেন। প্রথমে ময়দা ও আটার সংমিশ্রণ ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা মেখে রেখে দেওয়া হয়। এরপর তা ছোট ছোট গোল আকারে ভাগ করে বেলনার সাহায্যে রুটির মতো বানানো হয়।
সবশেষে আধুনিক চিমনি চুলায় এক এক করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় খবুজ। মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই একসঙ্গে প্রায় ১২টি খবুজ তৈরি হয়ে যায়।
কারিগর বলেন,
“খবুজের খামির ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা মেখে রাখতে হয়। এরপর ছোট আকারে রুটি বানিয়ে আধুনিক চুলায় দেওয়া হয়। মাত্র ৫ মিনিটেই একসঙ্গে ১২টা খবুজ তৈরি হয়।”

সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো—মাত্র ১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে এই তুর্কি খাবার। নিহারি, ভাজি-তরকারি এমনকি মিষ্টির সঙ্গেও খাওয়া যায় খবুজ।
একজন ক্রেতা জানান,
“দামে কম, স্বাদেও ভালো। নরম তুলতুলে হওয়ায় একসঙ্গে অনেকগুলো খাওয়া যায়। মাত্র ১০ টাকা হওয়ায় আমরা নিয়মিতই খাচ্ছি।”
দাম কম ও স্বাদ ভিন্ন হওয়ায় প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ পিস খবুজ বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা।
বিক্রেতা বলেন,
“খবুজের উৎপত্তি তুরস্কে। এটি রুটির মতো হলেও আকারে ছোট ও স্বাদে ভিন্ন। দাম মাত্র ১০ টাকা হওয়ায় চাহিদা অনেক। দিনে প্রায় ৭০০-৮০০ পিস বিক্রি হয়।”
এই ভিন্ন স্বাদের তুর্কি খবুজ খেতে চাইলে যেতে হবে বগুড়া সাতমাথা পিডিপি রোডে। তুর্কি খাবারের স্বাদে বগুড়ার রাস্তায় যুক্ত হয়েছে নতুন এক নাম-খবুজ।
