দেশের কয়েক স্থানে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু দেশের সঙ্গে মিল রেখে শেরপুর, চাঁদপুর, দিনাজপুরসহ দেশের কয়েকটি স্থানে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
বৃহস্পতিবার (১৩ মে) শেরপুরের ৯টি স্থানে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেরপুর সদরের উত্তর ও দক্ষিণ চরখারচর, মুন্সীরচর, বামনের চর, গাজীরখামার গিদ্দা পাড়া, ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও চতল গ্রামে পৃথকভাবে ঈদের আগাম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এসব জামাতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নামাজে অংশ নেন।
গত কয়েক বছর ধরে শেরপুরের এসব এলাকায় নিজেদের সুরেশ্বর দরবার শরিফের মুরিদান ও পীরভক্ত বলে দাবিদার কিছু লোক সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে দুই ঈদ ও রমজানের রোজা পালন করে আসছে।
এদিকে, চাঁদপুরের ১৫ গ্রামে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব, কচুয়া ও শাহরাস্তিসহ ৫ উপজেলার প্রায় ১৫টি গ্রামে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
হাজীগঞ্জের সাদ্রা মাদ্রাসা মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে দেশের শান্তি কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে, সৌদির সাথে সঙ্গতি রেখে দিনাজপুরের সদর, চিরিরবন্দর, কাহারোল উপজেলার কয়েকটি এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে কয়েকশ হাজার পরিবার। এসব পরিবারের মুসল্লিরা বিভিন্ন স্থানে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় দিনাজপুর শহরের বাসুনিয়াপট্টি এলাকায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে (পার্টি সেন্টার) অনুষ্ঠিত ঈদের জামায়াতে শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও জামাতে অংশ নেয়। তবে, জামাতে নামাজের সময় স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাও হয়নি।
এছাড়াও জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতাড়া, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ ও গড়েয়া এবং বিরল উপজেলার বালান্দোর গ্রামে আজ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
