
বগুড়ায় পৃথক দুটি অভিযানে দুটি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার গোপালপুর এলাকায় অবস্থিত “নাহিদ এন্ড নাদিম ফুড প্রোডাক্টস” প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বগুড়া।
রবিবার (০১-০৩-২০২৬ খ্রি.) পরিচালিত অভিযানে নিম্নোক্ত অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়-
অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে মিছরি তৈরি ও সংরক্ষণ
কালিযুক্ত কাগজে সেমাই সংরক্ষণ
নোংরা ও জীবাণুযুক্ত পরিবেশে সেমাই রাখার খাঁচা ব্যবহার
ফাংগাসযুক্ত কাপ দই ফ্রিজে সংরক্ষণ

নন-ফুড গ্রেড প্লাস্টিকে দই সংরক্ষণ
এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান। উপস্থিত ছিলেন তাহমিনা আক্তার, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, শেরপুর এবং ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া, সাধারণ সম্পাদক, ক্যাব, বগুড়া। নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে জেলা পুলিশের একটি দল।
একই দিনে বগুড়া সদর উপজেলার আপুইল এলাকায় অবস্থিত আসমানী এগ্রো ফুডসের “আসমানী লাচ্ছা সেমাই” কারখানায় যৌথ অভিযান চালিয়ে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
দুপুর ১২টা থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেয় জেলা প্রশাসন, বগুড়া এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ-এর বগুড়া জেলা কার্যালয়।
অভিযানকালে কারখানায়-
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন
অনিবন্ধিত অবস্থায় সেমাই উৎপাদন ও মোড়কজাত
পোড়া তেল ব্যবহার
বিএসটিআই মানসনদ নবায়ন ছাড়া উৎপাদন
মোড়কে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার
-এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহজালালের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের প্রযোজ্য আইন ও বিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।



