
নিজস্ব প্রতিবেদক: ফুলকলি বেকারী কারখানায় হ্যাচিং ডিম (অফুটন্ত ডিম) ব্যবহার করে খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১০ মে) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া শহরের চারমাথা এলাকায় অবস্থিত বেকারী কারখানাটিতে যৌথ অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. নাজমুস সাকিবকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান এবং নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ রাসেল।
কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের সময় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের বেকারি পণ্য—কেক, বিস্কুট, পাউরুটি ও অন্যান্য খাদ্য তৈরিতে গোপনে হ্যাচিং ডিম ব্যবহার করছিল, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের উপাদান শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন এবং পণ্যের প্যাকেটে অগ্রিম তারিখ ব্যবহারের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ। ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবেন না বলে অভিযানের সময় অঙ্গীকার করেছেন প্রতিষ্ঠানের মালিক।
অভিযানে জেলা পুলিশের একটি দলও সহযোগিতা করে।



