বগুড়া জেলা
প্রধান খবর

বগুড়ায় ইয়াবাসহ ৭ মামলার আসামি মোহন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোঃ মনোয়ার হোসেন ওরফে মোহন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার মোহন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে এরই মধ্যে সাতটি মামলা রয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া সদর থানার মাটিডালী করতোয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ফুলবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল মাটিডালী করতোয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, একটি বাড়ির শয়নকক্ষে ইয়াবা বিক্রির জন্য অবস্থান করছেন মোঃ মনোয়ার হোসেন ওরফে মোহন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তার বসতবাড়ির উত্তর পাশের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে মোহনের দেখানো ও নিজ হাতে বের করে দেওয়া খাটের তোষকের নিচ থেকে একটি কালো রঙের শপিং ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ওই ব্যাগের ভেতরে ২১টি সাদা পলিথিনের প্যাকেট পাওয়া যায়। প্রতিটি প্যাকেটে ১০০টি করে মোট ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। ডিজিটাল পরিমাপযন্ত্রে এসব ইয়াবার মোট ওজন ২১০ গ্রাম পাওয়া যায়।

এ ছাড়া মোহনের পরিহিত ট্রাউজারের ডান পকেট থেকে বিভিন্ন নোটের ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ওই টাকা মাদক বিক্রির।

উদ্ধার করা ইয়াবা ও নগদ টাকা ঘটনাস্থলেই জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় মোঃ মনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার মোহন একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ইতোমধ্যে সাতটি মামলা রয়েছে। এছাড়া অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের প্রভাবিত করে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোহনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে তার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মাদক ব্যবসা ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button