আদমদিঘী উপজেলাবগুড়া জেলা
প্রধান খবর

বগুড়ায় নানীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, নাতি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের তেঁতুলিয়া গ্রামে মানসিক প্রতিবন্ধী এক নাতির মারধর ও ইটের আঘাতে ৬২ বছর বয়সী নানীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাতি শামসুল ইসলাম (৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩১ আগস্ট) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিহত খাতুন বেওয়া (৬২) তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত দবির ফকিরের স্ত্রী। গ্রেপ্তার শামসুল ইসলাম একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, শামসুল ইসলাম একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। তাকে কয়েক দিন ধরে তার মা ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবেশী নানী খাতুন বেওয়া রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে তাদের বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ঘরের তালা খুলে দেন।

অভিযোগ রয়েছে, তালা খুলে দেওয়ার পর শামসুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে খাতুন বেওয়াকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন এবং মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত খাতুন বেওয়াকে উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুপচাঁচিয়ার চৌমুহনী এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর গ্রামবাসী অভিযুক্ত শামসুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ খাতুন বেওয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া জানান, এ ঘটনায় রোববার রাতে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত শামসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button