অর্থ ও বানিজ্যজাতীয়

তিন মাস বন্ধের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু

পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আমদানির অনুমতি দেয়ায় দীর্ঘ ৩ মাস বন্ধের পর আবারও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। এতে করে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে দাবি আমদানিকারকদের।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলের দিকে ভারত থেকে পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে আমদানি শুরু হয়।

হিলি স্থলবন্দরের রকি ট্রেডার্স নামের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানি করে। প্রতি টন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে ২৪৫ ডলার।

পেঁয়াজ আমদানিকারক বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। সে মোতাবেক সকালে পূর্বের আবেদনগুলো নতুন করে সাবমিট করা হয়। প্রথম দিন ৫০ জন আমদানিকারক আমদানির অনুমতি পায়, এর মধ্যে ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছি। ইতোমধ্যেই আমাদের আমদানিকৃত পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশ করেছে। আমদানির খবরেই দেশে পেঁয়াজের দাম কমে আসছে। আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম সাধারণের নাগালের মধ্যেই চলে আসবে।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদসংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা বলেন, দেশীয় কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ রাখায় গত ৩০ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে দাম নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে আবারও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। আজ প্রথম দিন হিলি স্থলবন্দরের ৪ জন আমদানিকারক ১২০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন।

ইতোমধ্যেই বন্দর দিয়ে রকি ট্রেডার্স নামের এক আমদানিকারক ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানি করেছেন। আমদানিকারকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এসব পেঁয়াজ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সনদ প্রদান করবো। এরপর আমদানিকৃত পেঁয়াজ বন্দর থেকে খালাস নিতে পারবেন আমদানিকারকরা।

তথ্যসূত্র: যমুনা টিভি

এই বিভাগের অন্য খবর

Back to top button