
নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে ২৮ দেশের অন্তত ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক। রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বুধবার (২৬ আগস্ট) হিমালয়ের একটি নদীতে কাদা ও পাথরের বিশাল স্রোত নেমে আসার পর এই ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। এখন পর্যন্ত ১৬৫ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নেপালের পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এই প্রাণঘাতী আকস্মিক বন্যায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রাণহানি ও ব্যাপক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতিতে পুরো জাতি স্তম্ভিত ও গভীরভাবে মর্মাহত।
তিনি এই দুর্যোগকে ‘আকস্মিক’ ও ‘ভয়াবহ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, উদ্ধার অভিযান শুরু করতে সরকার কোনো ধরনের বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের সম্পদ ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়েছে।
ভোটকোশী নদীর তীরবর্তী রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার বেশ কয়েকটি জনবসতি বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকাগুলো জনবিরল হলেও নেপাল-চীন বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রধান সড়কগুলো এই অঞ্চল দিয়ে গেছে।
ভয়াবহ বন্যায় ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, মহাসড়ক ও সেতুসহ বিভিন্ন স্থাপনা ধসে পড়েছে। নিখোঁজ পর্যটকদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী দলগুলো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ



